বিজেপির (BJP) দিল্লিতে যাঁদের হাতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব, তারাই যেখানে সেখানে যখন তখন গুলি করে খুন করে দিচ্ছেন। রবিবার দিল্লির জাফরপুর কালনা গ্রামের এই ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। ফুড ডেলিভারি কর্মীকে গুলি করে খুনের পর থেকে পলাতক পুলিশকর্মী।

রবিবার রাত আড়াইটে নাগাদ দিল্লির জাফরপুর কালান গ্রামের রাস্তায় বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ফুড ডেলিভারি কর্মী পাণ্ডব। বাইকে তাঁর পিছনের সিটে বসেছিলেন তাঁর বন্ধু কৃষ্ণ। দু’জনে একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন। সেই সময়ে রাস্তায় টহল দিচ্ছিলেন পুলিশ কর্মী নীরজ। পাণ্ডবদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন, ‘এত রাতে রাস্তায় কেন?’ এর জবাবে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। অভিযোগ, ঝগড়ার মধ্যেই আচমকা বন্দুক বের করে গুলি চালিয়ে দেন নীরজ। গুলির শব্দে স্থানীয়রা ছুটে এসে দেখন রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে গিয়েছে। তাঁরা পাণ্ডব এবং তাঁর বন্ধুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই পাণ্ডবকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কৃষ্ণ গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পরেই পুলিশ কর্মীর দিকে আঙুল তুলেছেন পাণ্ডবের পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, ‘নীরজ নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়ে দেন।’ গুলি চালানোর আগে তাঁদের জাতি তুলে কুমন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ পাণ্ডবের মা মীনা দেবীর। পাণ্ডবই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। পাণ্ডবের মৃত্যুর পরেই জাফরপুর কালনা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। অভিযুক্তর কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নীরজ হরিয়ানার রোহতকের আকবরপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ১৫ বছর ধরে একাই থাকতেন তিনি।

–

–

–

–

–
–
