আয়োজক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের(USA) সঙ্গে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে(FIFA World Cup 2026 )ইরানের(Iran) খেলা নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্টিনো আশ্বাস দিয়েছেন, ইরান খেলবে আসন্ন বিশ্বকাপে।

আমেরিকার সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরই থেকে আশঙ্কা তৈরি হয়, কূটনীতির প্রভাব পড়ে ফুটবল মাঠেও।শুরু থেকেই ইরান সাফ জানিয়েছিল, বিশ্বকাপ বয়কটের কথা মোটেই ভাবা হচ্ছে না।
আমেরিকার মাটিতে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026 )না খেলার কথা প্রাথমিকভাবে জানায় ইরান। নিজেদের সমস্ত ম্যাচ মেক্সিকোতে সরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানায় তারা। ফিফাও জানিয়ে দেয় শেষ মুহূর্তে এসে ভেন্যু বা সূচি বদল সম্ভব নয়। তবে দীর্ঘ টালবাহানার পর জট কেটেছে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু দিন আগে সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘বিশ্বকাপে ইরানের জাতীয় দলকে স্বাগত। কিন্তু আমি মনে করি না, এই পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওদের এখানে আসা উচিত।’’

ট্রাম্পের হূশিয়ারিতেও ইরান কিন্তু সাহসের সঙ্গেই কথা বলে। ইরানের ফুটবল দল পাল্টা লেখে, ‘‘বিশ্বকাপ একটি ঐতিহাসিক এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। কোনও ব্যক্তি বা দেশ নয়। ফলে পারদ চড়তে থাকতে। শেষ পর্যন্ত জট কাটল।

ফিফা কংগ্রেস শেষে জিয়ান্নি ইনফ্যান্টিনো ঘোষণা করেছেন, ‘একটা বিষয় স্পষ্ট করতে চাই। আর তা হল, আসন্ন বিশ্বকাপে ইরান খেলবে এবং তা আমেরিকাতেই।’

এশিয়ার অন্যতম সেরা দল হিসাবে গত বছর বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইরান। এই নিয়ে টানা চার বার ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে ইরান।

–
–
–
–
–
–
