পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে শুক্রবার ইডি-র ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তবে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই সুজিত বলেন, “পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। তাতে আমার নাম নেই। সাক্ষী হিসাবে আমাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল, আমি এসেছি। তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করব। প্রয়োজনে ডাকলে আবার আসব। তবে অযথা হেনস্তা যেন না করা হয়।”

বিধাননগর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজিতকে ভোটের আগেই একাধিকবার তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কিন্তু ভোটের কাজে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তিনি সেই সময় হাজিরা এড়িয়েছিলেন। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে শুক্রবার নির্ধারিত সময়েই সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছান তিনি। সকাল ১০টা ২৬ মিনিটে নিজের আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে প্রবেশ করেন মন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পুত্র সমুদ্র বসুও। প্রবেশের মুখে সুজিত জানান, তাঁর কাছে কোনো বিশেষ নথি চাওয়া হয়নি, শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশের প্রতিলিপি সঙ্গে এনেছেন তিনি।
গত ২৩ এপ্রিল হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে সুজিতের আইনজীবী জানিয়েছিলেন যে, দু’বছর আগে সিবিআই-এর জমা দেওয়া চার্জশিটে মন্ত্রীর নাম ছিল না। অথচ ভোটের মুখে গত ২ এপ্রিল থেকে ইডি তাঁকে বারবার সমন পাঠিয়ে আসছিল। প্রার্থীর ব্যস্ততার কথা বিবেচনা করে আদালত তাঁকে ১ মে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন সল্টলেকের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় ৯ ঘণ্টার ম্যারাথন সওয়াল-জবাব শেষে মন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন যে, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি পিছপা নন, তবে অকারণে হেনস্তা করা বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা যেন না নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন – কেন ভোট গণনায় শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা? প্রশ্ন তুলে এবার শীর্ষ আদালতে তৃণমূল, শনিতেই শুনানি

_

_

_

_
_
_
_
