নজিরবিহীন ভাবে ভোটের ফলপ্রকাশের প্রায় আড়াই সপ্তাহ পরে ফলতায় পুনর্নির্বাচনের (Repoll in Falta) ঘোষণা করেছে কমিশন (ECI)। গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তির অভিযোগ পাওয়ার পর এবার ২১ মে ফলতার সব বুথেই পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে বলে কমিশনের ঘোষণা হতেই, কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক লেখেন, ‘১০ জন্ম চেষ্টা করেও ডায়মন্ড হারবার মডেলে দাঁত ফোটাতে পারবে না এই বাংলা বিরোধী গুজরাটি ও তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমার।’

দক্ষিণবঙ্গে ভোটের শুরু থেকেই ডায়মন্ড হারবারকে টার্গেট করেছে বিজেপি পরিচালিত কমিশন। উত্তরপ্রদেশ থেকে পদ্মদলের ঘনিষ্ঠ পুলিশ অফিসারকে নিয়ে এসে এই সংসদীয় এলাকার মানুষকে ধমকানো চমকানোর কাজ চলেছে। তাতেও লাভ হয়নি কারণ ডায়মন্ড হারবারের মানুষ অভিষেকের উন্নয়নের সাক্ষী। গোটা দেশ যে লোকসভা কেন্দ্রের মডেলকে অনুকরণ করছে সেখানে গোটা ভারত থেকে গডফাদারদের নিয়ে এলেও তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) পরাস্ত করা যাবে না বলেই জানিয়েছেন অভিষেক। লক্ষাধিক সশস্ত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী, সাঁজোয়া গাড়ি, ১০০ শতাংশ ওয়েব কাস্টিং, সিসিটিভি মনিটরিং, পছন্দের আধিকারিকদের নিয়ে রাজ্য পুলিশের বিরাট ফোর্স সত্ত্বেও ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার তিনদিন পর কমিশনের মনে হয়েছে ফলতায় নাকি রিগিং হয়েছে। তাই পুরো ফলতা জুড়েই পুনরায় ভোট গ্রহণ করতে হবে। যদি কোথাও কোনও ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে ভোটের দিন কী করছিল কমিশন, প্রশ্ন তুলে তোপ তৃণমূলের। আসলে কমিশনের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট।

শনিবার রাতে এক্স হ্যান্ডল পোস্টে অভিষেকের তীব্র আক্রমণ, ‘দশ জন্ম চেষ্টা করেও ডায়মন্ড হারবার মডেলে দাঁত ফোটাতে পারবে না এই বাংলা বিরোধী গুজরাটি ও তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমার। যা খুশি সঙ্গে নিয়ে ফলতায় আসুন। এমনকী গোটা ভারত, দিল্লি থেকে গডফাদারদের নিয়ে আসুন। স্নায়ুর জোর থাকলে ফলতায় লড়াই করুন।’ আগামী ২১ মে ফলতায় পুনর্নির্বাচন হবে। গণনা ও ফলপ্রকাশ ২৪ মে।

–

–

–

–

–
–
–
