মোহনবাগান ১ এফসি গোয়া ১
(ম্যাকলারেন) (রনি)

ম্যাচটা জিতলে শীর্ষে উঠে আসার সুযোগ ছিল। কিন্তু জেমি ম্যাকলারেনের গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হল না। এফসি গোয়ার সঙ্গে ১-১ ড্র করে চ্যাম্পিয়নশিপ দৌড়ে ধাক্কা খেল মোহনবাগান। নিটফল, ১০ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রইল বাগান। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পেলেও গোল পার্থক্যে এগিয়ে শীর্ষে ইস্টবেঙ্গল।

অ্যাওয়ে ম্যাচের শুরুটা তেড়েফুঁড়ে করলেও, ম্যাচ যত এগিয়েছে, ততই হতাশাজনক ফুটবল উপহার দিয়েছেন সের্জিও লোবেরার ফুটবাররা। প্রথমার্ধে গোটা তিনেক হাফ চান্স তৈরি হলেও গোলের দেখা পাননি ম্যাকলারেন, রবসনরা। বিশেষ করে, ব্রাজিলীয় উইঙ্গার রবসন তো নিজের সেরা ফর্মের ধারেকাছেও ছিলেন না। বিরতির আগে অধিকাংশ সময় মোহনবাগান ফুটবলারদের পায়ে বল ঘোরাফেরা করলেও, গোয়ার জমাট রক্ষণ ভেদ করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছিল বৃষ্টিভেজা মাঠের কারণে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রবসনকে তুলে নিয়ে জেসন কামিন্সকে মাঠে নামান লোবেরা। তাতে সবুজ-মেরুনের আক্রমণের ঝাঁজ কিছুটা হলেও বেড়েছিল। ৫৫ মিনিটে গোয়ার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্গানের শিশুসূলভ ভুলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। শুভাশিস বসুর হেড ক্লিয়ার করতে গিয়ে মিস কিক করেন সন্দেশ। সেই বল ধরে আগুয়ান গোয়া গোলকিপারকে ঠান্ডা মাথায় পরাস্ত করেন ম্যাকলানের। অস্ট্রেলীয় বিশ্বকাপারের লিগে এটি ৯ নম্বর গোল। এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল বাগানের সামনে। একবার সহজ সুযোগ নষ্ট করেন কামিন্স। আরেকবার লিস্টন কোলাসোর দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

৬৭ মিনিটে খেলার গতির বিরুদ্ধে অপ্রত্যাশিতভাবে গোল হজম করে বসেন মোহনবাগান। ডানদিক থেকে সবুজ-মেরুন বক্সে সেন্টার ভাসাতে গিয়েছিলেন গোয়ার রনি উইলসন। বল অনেকটা সুইং করে জালে জড়িয়ে যায়। গোলকিপার বিশাল কেইথ কিছুটা এগিয়ে থাকায় শরীর শূন্যে ছুঁড়ে দিয়েও বলের নাগাল পাননি। ৭২ মিনিটে ফের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল মোহনবাগান। কিন্তু এবারও সেই সুযোগ নষ্ট করেন কামিন্স। আইএসএলের অন্য ম্যাচে বেঙ্গালুরু ১-০ গোলে হারিয়েছে জামশেদপুরকে।

আরও পড়ুন – রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল! ব্যাপক বদলি সিএমও-সহ ৪৬ দফতরে

_

_
_
_
_

