তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে তীব্র জনরোষের মুখে পড়ে শারীরিক হেনস্থার শিকার হন। এই ঘটনায় রাতভর তল্লাশি চালিয়ে মোট ৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার রাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে হামলার ঘটনার একাধিক ছবি যেখানে স্পষ্ট ভাবে আক্রমণকারীদের দেখা যায়। তৃণমূলের তরফ থেকে তাঁদের গ্রেফতারির দাবি করা হয়। হামলার ঘটনার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

অভিষেকের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। ডায়মন্ড হারবারে সাংসদ নিজেই জানিয়েছেন যে তাঁকে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে গর্জে ওঠেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee)। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যা হয়েছে সেই ঘটনার তীব্র নিন্দে করেছেন বিজেপি বিরোধী দলের প্রধানরাও। এরপরই তৎপরতা দেখায় পুলিশ। রবিবার সকালে অভিযুক্ত ৬ জনের গ্রেফতারের কথা অফিশিয়ালি জানানো হয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘ভিডিও এবং ছবিতে হামলাকারী হিসেবে যাঁদের দেখা গেছে তাঁদের অ্যারেস্ট করা হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট করা দরকার। যে ছেলেটা পাথর ছুড়েছে বা অভিষেকের হেলমেট খুলে নিচ্ছে সে অ্যারেস্ট হয়েছে কি হয়নি সেটা জানা দরকার। তিনি কোন রাজনৈতিক দলের সেটা জানার প্রয়োজন নেই। শুধু সংখ্যাতত্ত্বের ভিত্তিতে অ্যারেস্ট করে প্রাক্তন তৃণমূল বলে তকমা দেওয়াটা কোনও কাজের কাজ নয়। যারা জমায়েত করিয়ে হামলা করেছে বা উস্কানি দিয়েছে, তাঁরা কার ঘনিষ্ঠ সেটা জানার দরকার নেই, অবিলম্বে অ্যারেস্ট করতে হবে।’

–

–

–

–

–

–
