গতকাল অভিষেকের (Abhisekh Banerjee) পর রবিবার চণ্ডীতলায় হামলা লোকসভার তৃণমূলের মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kallyan Banerjee) উপর। রক্তাক্ত হয়েছেন তিনি। তাঁর উপর হামলার পরেই তাঁকে বাড়িতে দেখতে গেলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একহাত নিলেন বিজেপিকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা জানিয়েছেন, “বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধ ও বিজেপির হিংস্র রাজনীতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বাংলায় রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা ও হিংসার এক চরম রূপ দেখছে দেশবাসী। গতকাল লোকসভার সংসদীয় দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর কাপুরুষোচিত হামলার পর, আজ লোকসভার আমাদের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। একের পর এক বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের টার্গেট করে এই ধরনের আক্রমণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অমানবিক এবং গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত। আজ আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিলাম।

দলনেত্রী আরও জানান,”বিজেপির এই ধারাবাহিক হিংসাত্মক আচরণের বিরুদ্ধে আমি তীব্র ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
জনপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা কোথায়? দেশের সংসদের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি ও প্রবীণ আইনপ্রণেতারাও যদি সুরক্ষিত না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তারা স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের ভুয়ো অজুহাত দিয়ে নিজেদের দলীয় দুষ্কৃতীদের রাস্তায় নামিয়ে দিচ্ছে। দিল্লির প্রশ্রয়েই কি এই তাণ্ডব? “নতুন ভারতের” দোহাই দিয়ে বিরোধীদের ওপর এই ধরনের শারীরিক আক্রমণ কি দিল্লির শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রচ্ছন্ন মদতেই ঘটছে?
বাংলা চিরকালই সংস্কৃতি, সৌজন্য ও সুস্থ রাজনীতির পীঠস্থান। এখানে গুন্ডামি এবং হিংসার কোনো স্থান নেই। আমি এই কাপুরুষোচিত আক্রমণের বিরুদ্ধে রাজপথে এবং আইনি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব। তীব্র ধিক্কার জানাই এই অমানবিক ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতাকে!”

গতকাল অভিষেকের ওপর হামলার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে, আজ চণ্ডীতলা থানায় একটি ডেপুটেশন জমা দিতে যাওয়ার পথে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনি আহত হয়েছেন।

–

–

–

–
–
–
