১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ভেঙে তৈরি হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২৬ সালে সেই তৃণমূল ভেঙে তৈরি হচ্ছে কোন দল? সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন। ইতিমধ্যে তৃণমূলের তরফে (Trinamool Congress Crisis) ভেঙে দেওয়া হয়েছে দলের সব কমিটি ও শাখা সংগঠন। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ কী করবে তৃণমূল কিংবা বেসুরোরা।

দল ভাঙানোর পিছনে যে বিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব রয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দিল্লিতে অমিত শাহর (Amit Shah) প্রশ্রয়ে এই ঘটনা ঘটছে বলে রাজনৈতিক মহলের অভিযোগ। শুধু তাই নয়, দল ভাঙার ব্যাপারে প্রচ্ছন্নে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের (Election Commission Controversy) হাত রয়েছে বলেও অভিযোগ। এখন আসল তৃণমূল হিসাবে বেসুরোদের কত তাড়াতাড়ি জ্ঞানেশ কুমারের অফিস স্বীকৃতি দেয়, সেটাই দেখার। বিজেপি চলছে মহারাষ্ট্র ছকে। আরও পড়ুন: বড় সিদ্ধান্ত! একযোগে রাজ্যের সব কমিটি-শাখা সংগঠন ভাঙল তৃণমূল

শোনা যাচ্ছে, বেসুরোরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেনে নিলেও মানতে রাজি নন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু এটাও তাদের রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি বলে মনে করা হচ্ছে। ঋতব্রত এখানে বিজেপির হাতের পুতুল। সুবিধাবাদী রাজনীতিক হিসাবে তাকে দোষারোপ করে রাজনৈতিক মহল। কিন্তু বাকিরা? দেখা যাচ্ছে, সিবিআই-ইডির তলবে যাদের নাভিশ্বাস উঠছিল, তারাই এই বিদ্রোহে আগে হাত মিলিয়েছেন। বাকি বিধায়করা জনান্তিকে বলছেন, যেভাবে আমাদের উপর বিজেপি চাপ তৈরি করেছে, তাতে এই পথে না গেলে বন্দিজীবন কাটাতে হতো। কিন্তু বাস্তব হল এটাই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি দল ২৮ বছরের মাথায় ভেঙে চুরমার। তিনি দল ভেঙে নতুন দল তৈরি করেছিলেন। এবার তার দল ভেঙে কি নতুন দল!

–

–

–

–

–
–
–
