রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে সব থেকে বেশি চর্চায় থেকে যে হকার উচ্ছেদের ঘটনা। যেভাবে ফুটপাত থেকে হকারদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। মোদি সরকারের বারো বছরের পূর্তিতে আয়োজিত বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের (Biswa Bangla Convention Centre) অনুষ্ঠান থেকে শুক্রবার ফুটপাত দখল সংক্রান্ত বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । বুঝিয়ে দিলেন রাস্তার ধারে অবৈধ দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না।

জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে বিজেপি সরকার (BJP Government)। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ফুটপাত দখল করে কাউকে বসে থাকতে দেওয়া হবে না। ওটা মানুষের হাঁটাচলা করার জায়গা। সেখানে কোনও রকমের অবৈধ দখলদারি বরদাস্ত নয়। তাঁর কথায়, ‘আমাকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে মানুষের স্বার্থ দেখার জন্য। ফুটপাত কারোর হাতে দেওয়ার অধিকার আমাকে কেউ দেয়নি। আমি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। মুষ্টিমেয় কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাঁর স্বার্থ আমার কাছে অগ্রাধিকার পাবে না। আমরা মানবিক। যেখানে উদ্বৃত্ত জায়গা রয়েছে প্রাথমিকভাবে হকারদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করব।’ কিন্তু এভাবে যদি হঠাৎ করে হকারদের তুলে দেওয়া হয় তাহলে তাঁরা এখন কী করবেন, কোথায় যাবেন? তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে? শুভেন্দু বলেন, হকারদের জন্য ভারত সরকারের শ্রম দফতরের স্কিম রয়েছে। আস্তে আস্তে অন্যান্য সরকারি স্কিমও আনা হবে। কিন্তু তাই বলে নিউমার্কেট দখল করে নেবে বা রাজাবাজার বেহাত হয়ে যাবে, কিংবা খিদিরপুর- মেটিয়াবুরুজের রাস্তা পথচলতি মানুষ ব্যবহার করতে পারবেন না এটা চলতে পারেনা। অর্থাৎ হকার উচ্ছেদ নিয়ে যতই অসন্তোষ বাড়ুক না কেন রাজ্য সরকার যে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর সে কথাই যেন আরও স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

–

–

–

–

–

–
