বেলডাঙা মামলায় তদন্ত করবে NIA। এই মামলায় NIA-কে খোলা ছাড় বিজেপি সরকারের। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ভিনরাজ্য ঝাড়খণ্ডে মৃত্যু হয় মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেলডাঙায় তুমুল অশান্তি ও বিক্ষোভ ছড়ায়। এই মামলার তদন্তভার যায় NIA-এর হাতে। যার বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ জানায় তৎকালীন রাজ্য সরকার(তৃণমূল সরকার)। তবে ২০২৬-এর মে মাসে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। ক্ষমতায় আসে বিজেপি। এদিন শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই NIA তদন্তের বিরুদ্ধে আগের সরকারের চ্যালেঞ্জ করা মামলা প্রত্যাহার করে নিল নতুন রাজ্য সরকার।

এছাড়াও, বেলডাঙার অশান্তির মামলায় NIA-কে ১০ দিনের মধ্যে সাপ্লিমেন্টারি রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট ৷ ওই রিপোর্টে জানাতে হবে, কী কী তথ্য NIA-এর হাতে উঠে এসেছে। যার ভিত্তিতে UAPA আইন-কে বলবৎ করা যাবে কিনা সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কলকাতা হাইকোর্ট ৷ এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০ জুন হবে ৷ আদালতে NIA-এর আইনজীবী অরুণ মাইতি জানিয়েছেন, “শেষ দিন রাজ্যকে তাঁদের সিদ্ধান্ত জানাতে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট ৷ মাঝের এই সময়ের মধ্যে আমরা বেশ কিছু আরও নতুন জিনিস ও নথি পেয়েছি, যা দেখায় যে UAPA আইন এই মামলার ক্ষেত্রে বলবৎ করা যেতে পারে।” তবে এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে আরও সুযোগ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। যার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

এছাড়া, মালদার মোথাবাড়ি বিচারক ঘেরাও কাণ্ডের ঘটনার তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। যারা এই মামলায় নিন্ম আদালত থেকে জামিন পেয়েছে তাঁদের কিসের ভিত্তিতে জামিন দেওয়া হয়েছে তাও জানতে চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।

মালদা জেলার মোথাবাড়িতে SIR-এর অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় থাকা ভোটারদের নথি যাচাইয়ের কাজ করছিলেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। সে সময় নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে বিডিও অফিসেই আটক করে রাখা হয় বিচারকদের। বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন অভিযুক্ত মিম নেতা তথা হাইকোর্টের আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম। এই মামলারও পরবর্তী শুনানি ৩০ জুন।

–

–

–

–
–
–
