এনকাউন্টারে নিহত উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উন্নাওয়ের কুখ্যাত দুষ্কৃতী ইজরায়েল। উন্নাওয়ের সাধু মিলন দাসকে খুনের প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন এই ব্যক্তি। রবিবার মাঝরাতে বাঙ্গামারু থানা এলাকায় তাজপুর আন্ডারপাসে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের (SOG) সঙ্গে এনকাউন্টারে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। তাঁর মাথার দাম ছিল এক লক্ষ টাকা। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১০৩(১) ও ৩(৫) ধারা এবং ক্রিমিনাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট (CLA) আইনের ৭ ধারার অধীনে বাংগারমাউ থানায় নথিভুক্ত ১৬৮/২০২৬ নম্বর মামলায় অভিযুক্তকে খুঁজছিল পুলিশ। ৯ জুন বাঙ্গামারু থানা এলাকার রামনগর গ্রামে নির্মীয়মাণ একটি মন্দির থেকে মিলন সিং রঘুবংশী ওরফে বাবা মিলন দাসের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। স্বাভাবিকভাবেই খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। এলাকাবাসী হরদৈ-উন্নাও রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। জানা যায়, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় মিলন দাসকে। উন্নাওয়ের এসএসপি জয় প্রকাশ সিং জানিয়েছেন যে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করেছে, হত্যায় ব্যবহৃত একটি ০.৩১৫ বোরের দেশি পিস্তল.এবং ০.৩১৫ বোরের দুটি ব্যবহৃত কার্তুজও উদ্ধার হয়েছে। আরও পড়ুন: জেনে নিন সপ্তাহের শুরুতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম

তদন্ত নেমে সিসিটিভি-র ফুটেজ খতিয়ে দেখে লাল্লি, ইয়ামিন, শানু সফি এবং ইজরায়েল নামে চার দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। অবশেষে রবিবার রাতে তাজপুর আন্ডারপাসে ইজরায়েল ও অন্য তিন অভিযুক্ত লুকিয়ে থাকার খবর জানতে পেরে SOG-র কর্মীরা এলাকা ঘিরে ফেলেন। এরপরেই ইজরায়েল তাঁদের গুলিতে নিহত হন কিন্তু দুষ্কৃতীদের পাল্টা গুলিতে জখম হয়েছেন এক কনস্টেবল। আপাতত বাকি তিন দুষ্কৃতীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

–

–

–

–

–

–
–
–
