কয়েক দশক আগে শেষ বার বাংলায় জাতীয় গেমস হয়েছিল, এরপর থেকে এই গেমস আয়োজনের সুযোগ পায়নি বাংলা। পালা বদলের পর নিশীথ প্রামানিকের হাত বদলে ক্রীড়া দফতর এসেছে ইন্দ্রনীল খাঁ-র(Indranil khan) অধীনে।দায়িত্ব নিয়েই জাতীয় গেমস আয়োজন এবং পরিকাঠামো উন্নতিতে নজর নয়া ক্রীড়া মন্ত্রীর।

মঙ্গলবার CSJC আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে
ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ
জাতীয় গেমস নিয়ে বলেন, জাতীয় ক্ষেত্রে আমাদের ছেলে মেয়েরা সুযোগ পাচ্ছে না। খুব দ্রুত বাংলাতে জাতীয় গেমস হবে তার জন্য পরিকাঠামো উন্নতিতে জোর দিচ্ছি। শুধু পেলেই হবে না সেটা সফল ভাবে আয়োজন করতে হবে।

একই সঙ্গে বিদ্যালয় স্তর থেকে যে খেলাধুলার উন্নতি করাই তাদের লক্ষ্য সেই বিষয়টিও স্পষ্ট করে দিয়ে ইন্দ্রনীল বলেন,
বিদ্যালয়ে খেলাধুলাতে জোর না দি তাহলে শারীরিক সক্ষমতা বাড়বে না। সেই দিকে আমরা জোর দেব।

ক্রীড়া ময়দানে বাংলা ও বাঙালি ক্রিকেটারদের বিকাশই যে তাদের মূল লক্ষ্য সেটাও বুঝিয়ে দিতে কেকেআরের উদাহরণ টানেন তিনি। তাঁর কথায়,

আমরা বলছি কলকাতা নাইট রাইডার্স সেখানে বাংলা বা কলকাতার কোনও ক্রিকেটার নেই।কেকেআর দলে যাতে বাঙালি ক্রিকেটাররা সুযোগ পায় সেই দিকটিও দেখা হবে।

আগামী দিনে ক্রীড়া ক্ষেত্রের বিশিষ্ট জনদের সঙ্গে বসে একটি ক্রীড়া নীতি তৈরি করাই লক্ষ্য তাঁর। এই বিষয়ে অভিষেক ডালমিয়ার চিঠির উদাহরণ টেনে বলেন,
অভিষেক ডালমিয়া যে চিঠি দিয়েছেন তা পড়েছি। ওনার সময় চেয়েছি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বসে কথা বলব। সিএবিতে থ্রেট কালচার নিয়ে বলেন, সর্বত্র এই পরিস্থিতি চলেছে আগামী দিনে রাজনীতির ছায়ায় যারা এসব করেছেন তারা আর থাকবেন না। শুধু সৌরভ নয় দিন্দা, মনোজ থেকে লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে আলোচনা করে রাজ্যের জন্য ক্রীড়া নীতি চালু করব।

ইতি মধ্যেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু হয়েছেন। খেলোয়াড়রা এর সুবিধা কয়েক মাসে মধ্যে পাবেন বলেই আশাবাদী ক্রীড়া মন্ত্রী।

তাঁর কথায়,পূর্বতন সরকার খেলো ইন্ডিয়া বয়কট করেছিল আমরা প্রথমেই সেটা কার্যকর করেছি। আমাদের ছেলে মেয়েরা এর সুবিধা পাবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই।
এদিন কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা দেওয়া হল। মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে বলেন, আগামী দিনে ক্রীড়া ক্ষেত্রে কোনও নেপটিসিম থাকবে না। আগামী দিনে বিশ্ব দরবারে যাতে বাঙালি ক্রীড়াবিদরা সাফল্য পায় সেই ব্যবস্থা করতে হবে।।
অনুষ্ঠান শেষে প্রাক্তন ক্রীড়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের হাজিরা এড়ানো নিয়ে বলেন, উনি এখনো ভাবছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আছেন। কিন্তু বেশিদিন এভাবে হাজিরা এড়িয়ে থাকতে পারবেন না। ২০ টাকার জলের বোতল কার নির্দেশে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল সেটা বলতে হবে। মেসি নিপাট ভদ্রলোক বলে ঐখানে রেগে যাননি।
–
–
–
–
–
–
