কয়েক দিন ধরে বন্ধ ছিল ফোন, দেখা মেলেনি তরুণীর। শেষ পর্যন্ত সোনারপুরের (Sonarpur) একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হল ২৭ বছরের প্রিয়াঙ্কা গায়েনের (Priyanka Gayen) পচাগলা দেহ। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও খুনের অভিযোগ তুলেছে পরিবারের সদস্যরা। তদন্তে নেমেছে পুলিশ (Police)।

মঙ্গলবার (Tuesday) রাতে সোনারপুরের বরেন্দ্রপাড়া এলাকার (Barendrapara area) একটি আবাসনের ফ্ল্যাট (Residential Apartment) থেকে প্রিয়াঙ্কার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন তিনি। গত কয়েক দিন ধরে তাঁকে এলাকায় দেখা যায়নি। পাশাপাশি তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করলে সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা খুলে দেহ উদ্ধার করা হয়।

পেশায় বিউটি পার্লারের কর্মী (Beauty Parlour Worker) প্রিয়াঙ্কার বাবা-মা সোনারপুরের ঘাসিয়াড়া এলাকায় থাকেন। খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিকভাবে অনুমান, কয়েক দিন আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং সময় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের (Post-Mortem) রিপোর্টের অপেক্ষায় তদন্তকারীরা। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

মৃতার পরিবারের অভিযোগ, এটি কোনও স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। প্রিয়াঙ্কার (Priyanka Gayen) মায়ের কথায়, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন তিনি। প্রিয়াঙ্কার পিসি বন্দনা প্রসাদ (Priyanka’s aunt Vandana Prasad) জানান , গত শুক্রবার (Friday) রাতে এক বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তারপর থেকেই তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ। ফ্ল্যাট ও তার আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও (CCTV Footage) খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

–

–

–

–
–
–
