Wednesday, March 18, 2026

নোবেলজয়ীর জেলজীবন! শোনালেন মা

Date:

Share post:

“সেটা ছিল আমার প্রথম তিহার দর্শন বা জেল দর্শন। হঠাৎ শুনলাম অভিজিতকে নাকি তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমি ও আমার স্বামী দীপক উদভ্রান্তের মত ছুটলাম দিল্লি।” এখন বিশ্ব বাংলা সংবাদকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অজানা এক গল্পের উপর আলোকপাত করলেন অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায়ের মা নির্মলাদেবী।

কী হয়েছিল? কেন যেতে হয়েছিল নোবেল জয়ীকে জেলে? বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে বসে সে দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নির্মলাদেবী বললেন, “অভিজিৎ তখন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র। মাস্টার্স করছে। ফাইনাল ইয়ার। ওদের কলেজের একটি আন্দোলন করার জেরে বেশ কয়েকজন পড়ুয়াকে ধরে তিহার জেলে নিয়ে যায়। আমি ও দীপক তিহার গিয়ে হাজির। সেই প্রথম আমার জেল দর্শন। দেখা হল অভিজিতের সঙ্গে। ভয়ে বুক কাঁপছে। কিন্তু দেখলাম ওরা সকলে ভালই আছে। একসঙ্গে গল্পগুজবের মধ্যে রয়েছে। পুলিশের কোনও অত্যাচারের শিকার অবশ্য তারা হয়নি। আমরা স্বামী-স্ত্রী আশ্বস্ত হলাম। টানা ১০ দিন ওদের জেলে থাকতে হয়েছিল। তারপর অবশ্য ছাড়া পায়। তবে এই অভিজ্ঞতা ওর কাছেও যেমন নতুন ছিল, আমাদেরও হঠাৎ করে সংকটে ফেলে দিয়েছিল। অবশ্য তারপর সব ভালোভাবে মিটে যায়। অভিজিতরা সকলে জামিন পেয়ে যায়।”

নোবেলজয়ীর ছাত্র জীবনের অজানা এই গল্প শোনাতে গিয়ে এখন বিশ্ব বাংলা সংবাদ-এর ক্যামেরার সামনে নস্টালজিক হয়ে পড়েছিলেন মা নির্মলাদেবী।

spot_img

Related articles

ইজরায়েলি মিসাইলে মৃত্যু ইরান নিরাপত্তা প্রধানের: হরমুজে ট্রাম্পের পাশে কেউ নেই

পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে ব্যাপক ক্ষয় করলেও সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের যে বড় ক্ষতি হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। এই...

আজকের রাশিফল: কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, অর্থাগম ও সতর্কতা – ১২ রাশির বিস্তারিত ভবিষ্যৎফল

গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানের তারতম্যে আজকের দিনটি ১২টি রাশির জন্য ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসতে পারে। কোথাও সাফল্যের ইঙ্গিত, কোথাও...

ভোটের আসরে সন্তান-স্ত্রী-ভাই: শহর থেকে জেলায় তৃণমূল প্রার্থী পরিবারের সদস্যরা

রাজনীতিতে পরিবারবাদ কোনও নতুন তত্ত্ব নয়। বিধানসভা কেন্দ্র তো বটেই, অন্য কেন্দ্র দখল করতেও অনেক সময় একই পরিবারের...

ক্রমশ পিছোচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ! যাচাই শেষ ২১ লক্ষ

পূর্ণাঙ্গ তালিকা বলে যে ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন, প্রায় তত সংখ্যক রাজ্যের মানুষ এখনও বিচারাধীন।...