আজ, বুধবার বিভিন্ন ইস্যুতে দেশজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে একাধিক কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ৷
এদিকে ধর্মঘটের ইস্যুগুলিকে সমর্থন করলেও রাজ্যে ‘বন্ধ’ চান না বলে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মঘটের দিন যান- চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পরিবহণ দপ্তরও আলাদা নির্দেশ জারি করেছে।
এদিন ভোর পাঁচটা থেকেই শহরে ডিউটিতে নেমেছে পুলিশ, যাতে বনধ শুরুর আগেই ভরসা থাকে শহরবাসীর। কারন বনধের দিনেও শহরে আসতে হবে অফিস যাত্রীদের। বুধবার সকাল থেকেই দেখা গিয়েছে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলায় শহরের পথে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ। এদিন সকাল থেকেই শহরে ডিউটিতে রয়েছেন প্রায় 4 হাজার পুলিশ বলে লালবাজার জানিয়েছে। ভোর থেকেই নজরদারি রয়েছে শহরের 35টি জায়গার উপর। বিশেষ নজর রাখা হয়েছে অফিস এলাকা,রেল স্টেশন, শপিং মল,বাজার, বাস স্টপ সহ একাধিক স্থানে৷ শহরের যেখানে বেশি লোকের আনাগোনা, সেই সব এলাকায় মোতায়েন হয়েছে বাড়তি পুলিশ৷ শীর্ষ পুলিশ কর্তারাও এদিন সকাল থেকেই আছেন পথে৷ আজ সক্রিয় আছে 300টি পুলিশ পিকেট। পুলিশের PCR ভ্যান আছে 27টি। ঘুরছে 22টি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড।লালবাজারের তরফে সকালে ফের জানানো হয়েছে জোর করে কোনও রাস্তা বন্ধ করে জনজীবনে অসুবিধা সৃষ্টি করা যাবে না। আজ সাধারন মানুষের কোনও অসুবিধা হলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ বাহিনিকে নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

