রবিবার দু’দফায় দেখা হবে দু’জনের !

সাংবিধানিক রীতি ও বাধ্যকতার কারণে তাঁদের দু’জনের রবিবার মুখোমুখি হওয়ার কথা৷ কিন্তু তেমন দৃশ্য কি দেখা যাবে?

আগামীকাল, রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা কতখানি, তা নিয়েই তীব্র জল্পনা চলছে রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে৷
সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ এবং রাজভবনের চা-চক্র নিয়ে রাজ্যের তথ্য- সংস্কৃতি সচিব বিবেককুমারের সঙ্গে দিনদুয়েক আগে রাজ্যপালের দীর্ঘ আলোচনার পর যা ইঙ্গিত মিলেছে, তাতে নতুন করে কোনও বিতর্ক তৈরি না হলে সাধারণতন্ত্র দিবসে
একবার নয়, দু-দুবার ধনকড়- মমতা মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

প্রতি বছর যেমন হয়, তেমনই এবারের ২৬ জানুয়ারিও সকালে রেড রোডে রাজ্য সরকার ও সেনাবাহিনীর যৌথ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান হবে৷ রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে সেই অনুষ্ঠানে অভিবাদন গ্রহণ করবেন রাজ্যপাল। প্রথা বলছে, রাজ্যপালের অভিবাদন মঞ্চে আসার আগেই সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তাদের৷ রাজ্যপালকে স্বাগত জানাতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। অনুষ্ঠান শেষে ফের রাজ্যপালকে বিদায়ও জানাতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকেই।

এরপর ফের দু’জনের সাক্ষাৎ হবে রাজভবনে। এই দিনেই রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রীসহ বিশিষ্টদের চা-চক্রে আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকেন রাজ্যপাল৷ বিকেলের এই অনুষ্ঠানেও রাজ্যপাল আসার আগে পৌঁছে যেতে হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। রাজ্যপাল বিদায় নেওয়ার পর রাজভবন ছাড়তে হয় মুখ্যমন্ত্রীকে।

জানা গিয়েছে, যত বিতর্কই থাকুক,এবারেও এই দুই অনুষ্ঠানে প্রচলিত বিধির কোনও বদল ঘটছে না৷ রাজ্যপালের তরফে চা-চক্রের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ ঠিক সময়েই পৌঁছে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে৷ সাংবিধানিক বাধকতার কারণেই ২৬ জানুয়ারির একটি কর্মসূচিও এড়াতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী। তেমন ঘটলে, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিকে হাতিয়ার করতে পারে বিরোধীরা৷ সেই সুযোগ মুখ্যমন্ত্রী কাউকেই দিচ্ছেন না৷

আরও পড়ুন-ফের আর্জি খারিজ, তারপরও নির্ভয়া-দোষীদের ১ ফেব্রুয়ারি ফাঁসি নিয়ে সংশয়