করোনার প্রভাব ফুচকাতেও! বন্ধ হল বিক্রি

করোনার থাবা বিশ্বজুড়ে। আতঙ্কে হারিয়েছে স্বাভাবিক জীবন। ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক করার চেষ্টা হলেও ভয় থেকেই যাচ্ছে।

ভযঙ্কর এই পরিস্থিতিতে ফুটপাথের ধারে পসরা তথা ছোটো দোকান সাজিয়ে বসা খাবারের দোকান বন্ধ করল কানপুর প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে খবর,যেভাবে দিন দিন করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে,তাতে জনগণের স্বাস্থ্য নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কিত সরকার। এমত অবস্থায় করোনা দমনে গোটা কানপুর শহরে পানিপুরী তথা ফুচকা ব্যবসা মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষনা করেছে কানপুর জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন কানপুরের জেলাশাসক ডঃ ব্রহ্মাদেও রাম তিওয়ারি।
এদিন তিনি বলেন, “গোটা দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখানেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ফলে এই অবস্থায় জনগণের জন্য বাইরের খোলামেলা খাবার তথা ফাস্টফুড না খাওয়ার কথাই বলছেন তিনি। আর এই জন্যই গোটা কানপুর শহরে গোলগাপ্পা বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।”

শুধু তাই নয়, জেলাশাসক জানাচ্ছেন, মুখোরোচক এই খাবারটি সাধারণত টকজলে ডুবিয়ে খেতে হয়। এক্ষেত্রে জলের গুনগত মানের যেমন একটি ব্যাপার রয়েছে, তেমনই গোলগাপ্পার সঙ্গে ক্রেতা ও বিক্রেতার সরাসরি হাতের স্পর্শ লেগে যায়। ফলে এই অবস্থায় মনের মধ্যে একটা আশঙ্কা থেকেই যায়। আর এই করণেই মঙ্গলবার থেকে কানপুর জুড়ে গোলগাপ্পা বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে চিন্তায় পড়েছেন ফুচকা বিক্রেতারা।