প্যাংগংয়ের বিতর্কিত এলাকায় নিজেদের নাম 中国 লিখে দিলো চিন

চাঞ্চল্যকর চিত্র !

চিনের আগ্রাসী মনোভাব ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ আগ্রাসনের মোহে চিন এখন বেপরোয়া৷ উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের৷

ঠাণ্ডা মাথায় কৌশল করে
Pangong বা প্যাংগংয়ের বিতর্কিত এলাকায় নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা শুরু করেছে৷

উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে,
প্যাংগং লেকের ধারে ম্যাণ্ডারিন ভাষায় “中国” শব্দটি লেখা হয়েছে৷ এই
中国 শব্দটির অর্থ ‘চিন’৷ এখানেই শেষ হয়নি৷ ওই লেখার পাশে আঁকা হয়েছে চিনের মানচিত্র৷ এই কাজের মাধ্যমে চিন বোঝাতে চেয়েছে, প্যাংগং আর বিতর্কিত এলাকা নয়, ওই এলাকা চিনের নিয়ন্ত্রণে৷

আর এইভাবেই প্যাংগংয়ের বিতর্কিত এলাকাকে নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করে সীমান্তের উত্তেজনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিলো জিনপিংয়ের চিন৷ নিশ্চিতভাবেই এ ঘটনায় দু’দেশের মধ্যে বহাল থাকা উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে৷

প্যাংগংয়ের বিতর্কিত এলাকা কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সে বিষয়টির এখনও নিষ্পত্তি হয়নি৷ বিতর্কের মাঝেই ওই এলাকা নিজেদের বলে চিহ্নিত করে ফেলেছে চিন৷ ভারতের ভূখণ্ড দখলে চিন এখন যে কোনও পথ নিতে মরিয়া৷ নজরদারি বা টহলদারির এই সীমান্ত-এলাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। ভারতের বক্তব্য, ‘ফিঙ্গার ১’ থেকে ‘ফিঙ্গার ৮’ পর্যন্ত টহল দেওয়ার অধিকার রয়েছে তাদের৷ আবার চিন সরকার মনে করে, ‘ফিঙ্গার ৮’ থেকে ‘ফিঙ্গার ৪’ পর্যন্ত টহল দেওয়ার অধিকার রয়েছে লাল ফৌজেরই। গত ১৫ জুন, এই ‘ফিঙ্গার ৪’ অঞ্চলেই ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ‘ফিঙ্গার ৪’-এ ইদানিং গুরুত্ব দিয়েই সেনা-সংখ্যা বাড়িয়েছে চিন৷ লাল ফৌজের লক্ষ্য, ভারতীয় সেনারা যেন কিছুতেই ‘ফিঙ্গার ৮’ এর দিকে টহল দেওয়ার সুযোগই না পায়।
এদিকে, উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, এই অঞ্চলে অনেক বেশি সংখ্যায় চিনের সেনা মোতায়েন রয়েছে। এরাই ভারতীয় সেনাবাহিনীর টহল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে৷ প্যাংগং লেক এলাকা যে চিন দখল করার চেষ্টা করছে, উপগ্রহ চিত্রে তাও দেখা গিয়েছে৷ ওই এলাকায় কমপক্ষে ১৮৬ টি সেনা ছাউনি, শেলটার ব্যারাক এবং বিভিন্ন আকারের তাঁবু তৈরি করা করেছে চিন। ‘ফিঙ্গার ৪’ and ‘ফিঙ্গার ৬’-এ অসংখ্য ছোট ছোট ছাউনি গড়েছে চিনারা৷ ‘ফিঙ্গার ৫’ এবং ‘ফিঙ্গার ৪’-এলাকায় পরের পর নির্মাণকাজও চালাচ্ছে চিনারা৷ এসব নিয়েই সীমান্তে এখন উত্তেজনা চলছেই৷ আর তারই মাঝে জানা গিয়েছে, প্যাংগংয়ের বিতর্কিত এলাকাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে চিন৷