“টিকটক” বন্ধের পরই সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরত-মিমিকে কটাক্ষ শ্রীলেখার

সুশান্ত সিং রাজপুতের অকাল মৃত্যুর পরই চলচ্চিত্র জগতে নেপোটিজম নিয়ে বিভিন্ন মহলে আওয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এরই মাঝে আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। টলিউডের স্বজনপোষণ নিয়ে সম্প্রতি একটি বিস্ফোরক ভিডিও সামনে এনেছিলেন শ্রীলেখা। সেখানে প্রকাশ্যে তিনি নাম নিয়ে টলিপাড়ার দুই সুপার স্টার প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণাকে সরাসরি আক্রমণ করেন। তা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয় টলিপাড়ায়। এরপর শ্রীলেখাকে পাল্টা দিতে এজে একে আসরে নামেন অভিনেতা-অভিনেত্রীর। শ্রীলেখাও এই ইস্যুতে তাঁর পাশে পেয়ে যান অনেকে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এবার ভিন্ন ইস্যুতে শ্রীলেখার নিশানায় টলিউডের দুই শীর্ষ অভিনেত্রী নুসরত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী। বর্তমানে নুসরত ও মিমি দু’জনেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ। প্রথমজন বসিরহাটের এবং পরের জন যাদবপুর লোকসভার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তাঁদেরকেই এবার কটাক্ষ করলেন শ্রীলেখা।

প্রসঙ্গত, ভারত সরকার জনপ্রিয় “টিকটক”-সহ ৫৯টি চাইনিজ অ্যাপ দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। আর অনান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মতো টিকটকেও দারুণ অ্যাক্টিভ ছিলেন নুসরত ও মিমি। তা নিয়েই নিজের ফেসবুক পোস্টে সরাসরি নাম না করে নুসরত-মিমিকে বিঁধলেন শ্রীলেখা। পোস্টে শ্রীলেখা লেখেন, “টিকটক বন্ধ, তাহলে যাদবপুর বা বসিরহাটের মানুষ তাদের সাংসদদের কোথায় দেখতে পাবেন?”। সেইসঙ্গে উপরের ক্যাপশন করেন, “আহারে শুনে আমার চোখে জল চলে এল”।

টিকটক ভিডিও বানানো নিয়ে নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে আগেও পড়েছেন নুসরত-মিমি। কারণ, জনপ্রতিনিধিদের যে কোনও কর্মকাণ্ডে, তা সে সমাজের জন্য হোক কিংবা ব্যক্তিগত, তাঁদের খুঁত ধরার জন্য ওৎপেতে বসে থাকে নিন্দুকরা। প্রতিটি কিছুই যেন আতসকাঁচের নিচ দিয়ে বিচার হয়! তবে এই প্রথম কোনও সহ-অভিনেত্রী নুসরত-মিমিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করলেন।