ভাইরাস নয়, নিউমোথোরাক্সের কারণে মৃত্যু হয়েছে বিষ্ণুব্রতর, জানালেন জেলাশাসক  

কোচবিহারের তৃণমূল কংগ্রেসের যুব নেতা বিষ্ণুব্রত বর্মণের মৃত্যু ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে বা মাল্টি অর্গান ফেলিয়োর হয়নি। তাঁর নিউমোথোরাক্স সম্পর্কিত জটিলতা ছিল। বৃহস্পতিবার এখবর জানিয়েছেন কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান। যুব তৃণমূল নেতার মৃত্যুতে শোক বার্তা পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।


বুধবার, কলকাতায় মৃত্যু হয় কোচবিহারের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিষ্ণুপদ বর্মণের। তাঁর মৃত্যুর খবর পৌঁছতেই শোকের ছায়া নেমে আসে কোচবিহারে। ১৭ জুলাই কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন বিষ্ণুপদ। কোভিড পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ আসে বলে জানিয়েছেন কোচবিহারের জেলাশাসক। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় তাঁকে কোচবিহার থেকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আনা হয় কলকাতায়। সেখাই মৃত্যু হয় তাঁর।


বৃহস্পতিবার, তাঁর মৃতদেহ কোচবিহার পৌঁছয়। প্রথমে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে শেষ শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। সেইখানেই বিষ্ণুপদকে শ্রদ্ধা জানান আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী। এরপর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় কোচবিহার স্টেডিয়ামে। এই মাঠের থেকেই জীবন শুরু হয়েছিল বিষ্ণুব্রত বর্মনের। প্রাক্তন খেলোয়াড় থেকে শুরু করে তাঁর সহকর্মী, খেলোয়াড়রাও এদিন উপস্থিত ছিলেন মাঠে। চোখের জলে শেষ বিদায় দেওয়া হয় তাঁকে। সবশেষে মৃতদেহ পৌঁছয় কোচবিহার জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে। সেখানেও ছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এবং বিনয়কৃষ্ণ বর্মন। জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় এবং জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল জলিল আহমেদ। পার্থপ্রতিম রায় বলেন, বিষ্ণুর এভাবে চলে যাওয়া জেলা তৃণমূলের সংগঠনের ক্ষেত্রে বিরাট ক্ষতি। এই ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়।