লোকাল হেলমেট নিয়ে কড়া ট্রাফিক পুলিশ, ১০০০ টাকা জরিমানা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা

মাত্র ১০০ টাকায় দেদার বিকোচ্ছে লোকাল হেলমেট। একটু ভাল কোয়ালিটি হলে দাম বড়জোর ১৫০ টাকা। জলের দর বললেও কম বলা হবে হয়তো। এবার প্রশ্ন হচ্ছে, মাত্র ১০০ টাকার হেলমেট কি আপনার মাথা বাঁচাতে পারবে! নাকি শুধুই জরিমানা থেকে বাঁচতে ঝুঁকির দিকে ঝোঁক! গোটা দেশজুড়ে চালু হয়েছে নতুন ট্রাফিক আইন। যার জেরে ট্রাফিক আইন ভাঙলে জরিমানার অঙ্কটাও হচ্ছে মোটাসোটা।
এমনকি, কোম্পানির হেলমেট তৈরি করা ও বিক্রি করার জন্য নতুন আইন জারি করেছে কেন্দ্র সরকার। লোকাল হেলমেট পরে বাইরে বেরোলেই দিতে হবে ১০০০ টাকা জরিমানা । পাশাপাশি লোকাল হেলমেট প্রস্তুতকারকদের ২ লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি হবে জেল। পরিসংখ্যান বলছে, প্রত্যেকদিন কমপক্ষে ৫০ জন করে লোকাল হেলমেট ও বিনা হেলমেট বাইক আরোহীর পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় প্রত্যেক জেলায়। এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সেই কারণেই কড়া আইন লাগু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । এই সিদ্ধান্তে বিএসআই আইন সামিল করা হয়েছে। আগামী মাস থেকেই এই আইন গোটা দেশে লাগু হতে চলেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যে সব কোম্পানি হেলমেট তৈরি করবে তাদের বিএসআই-এর থেকে অনুমতি নিয়ে হবে ও হেলমেটের কোয়ালিটি কেমন তা পরীক্ষা করাতে হবে। দেশের প্রত্যেকটি রাজ্যে পরিবহণ দফতরের আধিকারিকদের দেখতে হবে হেলমেটের গুণমান কেমন হচ্ছে ও লোকাল হেলমেট উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে না কিনা। কোনও জায়গায় লোকাল হেলমেট তৈরি হলে সেই কোম্পানি কালো তালিকাভুক্ত করে বন্ধ করে দেওয়া হবে। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে নতুন হেলমেট দেড় কিলোর বদলে ১ কিলো ২০০ গ্রাম করতে হবে ।
টু হুইলার হেলমেট ম্যানুফ্যাকচার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রাজীব কাপুর জানিয়েছেন, হেলমেট বিআইএস সূচিতে সামিল হলে বহু বাইক আরোহীর প্রাণ বাঁচবে পথ দুর্ঘটনা থেকে।
লোকাল হেলমেট বা বিআইএস লোগো ছাড়া হেলমেট উৎপাদন, স্টকে রাখা ও বিক্রি করা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। পাশাপাশি ২ লাখ টাকা জরিমানা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাজা কার্যকরী হবে।