মহিলাকে হোটেলের ঘরে কুপ্রস্তাব, চূড়ান্ত বিপাকে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ

এবার মহিলাকে যৌনতার প্রস্তাব, হোটেলে নিয়ে যাওয়ার কুকীর্তি বেরিয়ে এলো প্রকাশ্যে। বিজেপির জগন্নাথ কাণ্ড ক্রমশ পাকছে। বোঝা যাচ্ছে শিকড় অনেক গভীরে।

একা জগ্ননাথই মুখ পোড়ালেন বিজেপির। পরকীয়া এসে পড়েছে হাটের মাঝে। বেয়াব্রু সাংসদের গরিমা। বিজেপি মহলে ফিসফাস, হাসাহাসি। খোদ রাজ্য সভাপতি অপ্রস্তুত। বললেন, ক’দিন ধরে তো দেখছি ব্যাপারটা চলছে। বিরোধীরা হাতে অস্ত্র পেয়েছে। সরাসরি বলছে, এই না হলে হিন্দুত্বের ঠিকাদারদের কারবার! এরাই নাকি করবে দেশোদ্ধার! আর সোশ্যাল মিডিয়ায় আমজনতার ফুট নোট… প্রেমে মজিলে মন..

সোমবার লকডাউনের সকালে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদের পরকীয়ার স্ক্রিন শট প্রকাশ্যে চলে আসে। তারপর হইচই। কী ছিল সেই চ্যাটে? দেখা যাচ্ছে, জগন্নাথ বলছেন, এমন করে কাউকে ভালবাসিনি। জবাবে সব জল্পনার মাঝখানে থাকা রহস্যময়ী বলছেন, শিয়ালদহ স্টেশনের দোতলায় রুম পাওয়া যায়, যেতে পারবে? জবাবে জগন্নাথ বলছেন, কত সময়ের জন্য, তারপর বাড়িতে কী বলব?

বিষয়টি যদি এখানেই থেমে থাকত তাহলে চূড়ান্ত অস্বস্তি তৈরি হতো না। কিন্তু যত সময় এগিয়েছে, প্রকাশ্যে এসেছে আরও কিছু পরকীয়ার অন্তরঙ্গতা। দ্বিতীয় দফায় কী পাওয়া গেল?

সেখানে কথোপকথন আরও ডিটেইল।

জগন্নাথ ; শান্তিপুরে আসব। এখানে কে চিনবে আমাকে?
কৃষ্ণার প্রশ্ন, আমার বাড়ি? না, কোনও বন্ধুর বাড়ি?
জগন্নাথ : তোমাকে পাশে চাই।
কৃষ্ণা : তাই! ম্যাডাম রাগ করবেন।
জগন্নাথ : করুক।
এরপর কৃষ্ণার ‘আকর্ষণীয় ছবি। তার তলায় ক্যাপসান, ‘আমি তোমাতে বেঁধেছি প্রাণ।’
জগন্নাথ : এভাবে দেখার পর আর থ্যাংক্স!!

এবার একটু বেশি সাহসী সাংসদ এবং সেই কৃষ্ণা।
কৃষ্ণা : বন্ধুর বাড়িতে আপনার প্রবলেম হবে না তো!
জগন্নাথ : না
কৃষ্ণা : কোনোদিন সে ম্যাডামকে বলবে না তো!
জগন্নাথ : না।
এবার জগন্নাথ ঘুমতে গেলেন। পরেরদিন ন’টায় ফোন করার প্রতিশ্রুতি কৃষ্ণার।

খোদ সাংসদকে ‘এখন বিশ্ববাংলা সংবাদ’-এর পক্ষ থেকে ফোন করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য প্রকৃত ঘটনা তিনি প্রকাশ্যে এসে জানান। তিনি পাবলিক ফিগার। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্তের জবাব দেওয়া উচিত। আইনি নোটিশ, বা এফআইআর হাতে নিয়েই তাঁর এর বিরুদ্ধে নামা উচিত। সম্রাট শর্মা নামে জনৈক যা যা দাবি করছেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। নইলে ভুল বার্তা যাচ্ছে সমর্থকদের মধ্যে। যদিও জগন্নাথ ফোন ধরেননি। আর রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলছেন, শুনলাম তো এফআইআর করেছেন। দেখি উনি কী বলেন। মহা বিপদ দিলীপবাবুর!

তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভরপুর মিম আর কটাক্ষ। একজনের কথা বেশ মনে ধরেছে অনেকের। কী লিখেছেন তিনি? তিনি লিখেছেন…
আগে সকালে উঠে বলতাম “জয় জগন্নাথ”। আর এখন বলছি… “ধুর জগন্নাথ”!!

আরও পড়ুন : Exclusive: বিজেপি সাংসদের পরকীয়ার গোপন কথা প্রকাশ্যে, প্রবল অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির