Friday, April 3, 2026

দুই দলেরই দৃষ্টি আকর্ষণে মরিয়া শোভনশিবির !

Date:

Share post:

একজন রাজনীতিবিদ স্থায়ী লকডাউনে রয়েছেন, অথচ কারুর কিছু এসে যাচ্ছে না, এ বড় কঠিন বিষয়।

ফলে যে কোনোভাবে গুরুত্ব বোঝানোর মরিয়া চেষ্টা ছাড়া উপায় কী!!

ফলে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের শিবিরসূত্রে ভাসানো খবর, বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে তাঁকে ভার্চুয়ালি থাকতে বলা হয়েছে।
আবার টিকা সংযোগ, কিন্তু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন না তিনি যোগ দিন, কারণ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নাকি বৈশাখীর কর্মস্থলের জটিলতা কাটাতে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

তাহলে দাঁড়ালো কী?
কিছুই না।
যা ছিল তাই।
অরবিন্দ মেনন এলেই শোভনশিবির এখন প্রায় নরেন্দ্র মোদির পদার্পণ ভেবে ফেলছেন।
বিজেপি এই বড় পদে বসালো বলে!
সামনে ভোট। বিজেপিকে তো কিছু দিতেই হবে।
কিন্তু পদ্মাসনে বসতে গিয়ে শবাসনে থাকার পর্ব শেষ কবে?
এদিকে রত্না চট্টোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে শোভনকে ধুয়ে দিয়েছেন। স্ত্রীকে আটকাতে শোভনকে এখন মিডিয়ামালিককে ফোন করতে হচ্ছে বলে গুঞ্জন!! রাজ্যস্তরের নেতা আর কাকে বলে!!!!

এদিকে তৃণমূলে ফেরার পথে কড়া শর্ত, আগে দলে ফেরো। তারপর কথা।

বিজেপি বলছে, শোভন আসুন, সঙ্গে বৈশাখী দলের যত্রতত্র যেতে পারবেন না। তাঁর কাজ আলাদা নির্দিষ্ট থাকবে।

সূত্র বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে একাধিক পদ পেয়েছিলেন শোভন। কিন্তু তার পিছনে নিজের পারফরমেন্স ছিল না আজ প্রমাণিত। যে গুরুত্বহীনতার রসিকতায় মমতা ধাক্কা মেরে তৎকালীন মেয়রকে জলে ফেলে দিয়েছেন, আজও শোভন অথৈ জলেই। কে কথা বলল আর কে ডাকল, তা প্রমাণ করতে মরিয়া চেষ্টা।

বিজেপি এখন বড় পদ দিতেই পারে। কারণ তাদের দরকার যেকোনো ধরণের পরিচিত নামকে মঞ্চে রাখা। শোভন মিডিয়ায় এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন,” কিছু আলোচনা বাকি আছে।”

কত বড় হাস্যকর!
আলোচনা ছাড়াই দলবদল!
যে দল ছাড়ছেন, সেখানেও আলোচনা বাকি।
যে দলে নাম লেখালেন, সেখানেও আলোচনা বাকি।
সার্কাসের নির্দিষ্ট পদ ছাড়া এত হাসির জোগান পাওয়া মুশকিল। কই, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত তো এমন বিচিত্র ঝুলন্ত অবস্থায় নেই।

আসলে শোভন কী করবেন আর শোভন কোন্ দিকে যাবেন, এবিষয়ে শোভনশিবির ছাড়া আর কারুর কোনো আগ্রহ নেই।
তৃণমূলের অবস্থান: পুরনো মুখ। ফিরলে ভালো। কিন্তু শর্তের বাড়াবাড়ি নয়।
বিজেপির অবস্থান: ভোটের মুখে ললিলপ দিয়ে রেখে দেওয়াই ভালো। তারপর দেখা যাবে।

এই ধারাবাহিক কুনাট্যে শোভনরা শুধু ” যেতে পারি কিন্তু কেন যাব” আউড়ে চলেছেন।
বিজেপির মঞ্চেই একটু নড়াচড়া নাকি তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন, এই সিদ্ধান্ত নিতেই তথাকথিত রাজ্য নেতার দমবন্ধ অবস্থা।

আরও পড়ুন – শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ করা হচ্ছে, জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে আপত্তি শিক্ষামন্ত্রীর

 

Related articles

ভোটার তালিকা নিয়ে সংশয় অব্যাহত, অষ্টম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

ভোটার তালিকা ঘিরে বিতর্ক এবং সংশয়ের আবহেই অষ্টম সাপ্লিমেন্টারি বা অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। এই তালিকায়...

মালদা-কাণ্ডে NIA তদন্তের নির্দেশ, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের পর চিঠি কমিশনের

মালদহের কালিয়াচকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ঘেরাওয়ের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে জাতীয় তদন্ত...

পুরানো পদ্ধতিতে ফিরছে না উচ্চ মাধ্যমিক! সেমিস্টার নিয়ে বিভ্রান্তি কাটাল সংসদ

উচ্চ মাধ্যমিকে সেমিস্টার সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে তৈরি হওয়া যাবতীয় জল্পনা ও সংশয়...

IPL: হতশ্রী ব্যাটিং, ঘরের মাঠে সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে হার নাইটদের

আইপিএলে ইডেনে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হার কেকেআরের। ৬৫ রানে জিতল সানরাইজার্স। প্রথম ম্যাচে ডুবিয়েছিল বোলিং, এই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায়...