Thursday, June 25, 2026

মুকুলের সংবর্ধনা সভায় গরহাজির দিলীপ ঘোষ গোষ্ঠী, চাপেই থাকলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি

Date:

Share post:

ঘোষণা ছিলো রাজ্য বিজেপির অনুষ্ঠান এটি৷ কিন্তু রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বা তাঁর অনুগামী কোনও পদাধিকারীকে দেখাই গেলো না দলের সদ্যনিযুক্ত জাতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়ের সংবর্ধনা সভায়৷

কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি নিযুক্ত হওয়ার পর রবিবার ICCR-এ মুকুল রায়কে সংবর্ধনা দেওয়া রাজ্য বিজেপির তরফে৷ আর সেই অনুষ্ঠানেই দৃশ্যমান হয়েছে বঙ্গ- বিজেপি’র অদৃশ্য ফাটল৷

এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত, শিশির বাজোরিয়া’রা৷ এনারা প্রত্যেকেই বঙ্গ-বিজেপির অন্দরের সমীকরণে দিলীপ ঘোষের বিরোধী অংশ৷ দিলীপবাবু বা তাঁর সঙ্গে থাকা কোনও পদাধিকারী বা নেতা- নেত্রীকে এদিনের এই অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি৷ রাজনৈতিক মহলের অভিমত, এই প্রথমবার বঙ্গ-বিজেপির অনৈক্য ঢাক-ঢোল পিটিয়েই প্রকাশ্যে এলো৷

আরও পড়ুন- মহামারির আবহে বেলুড় মঠের পুজো দেখতে ওয়েবসাইট ভরসা

এদিন মঞ্চে থাকা মুকুল রায়কে ‘বড় ভাই’ সম্বোধন করে বিজয়বর্গীয় বলেছেন, “বাংলায় শাসক দল যা করে চলেছে তা আমরা সব কিছুই দেখছি। কিন্তু আর আমরা চুপচাপ থাকব না। একুশের নির্বাচনে মুকুলদার পরামর্শে বিজেপি লড়বে৷ এই বাংলায় আমরাই সরকার করব। আমরা এখনকার ভ্রষ্টাচারের সরকারকে উপড়ে ফেলব।” এদিনের সংবর্ধনা সভায় ছিলেন বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেননও। তিনি ভোটের আগে কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন “ঝোপড়ি ঝোপড়ি যেতে হবে আর খোপড়ি খোপড়ি ইঞ্জেকশন পুশ করতে হবে”৷ রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “বিজেপি পার্টি একটা প্রতিষ্ঠিত দল, কিন্তু এ রাজ্যে খুবই ছোটো দল। এই ছোট দলকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে কৈলাসদা, মুকুলদাকে দরকার”।

আরও পড়ুন- দিলীপের অসাংবিধনিক মন্তব্য, পাল্টা একই ভাষায় জবাব শাসক দলের

কেন দিলীপবাবু অথবা অন্য কোনও পদাধিকারীকে এদিনে অনুষ্ঠানে দেখা গেলো না, তাঁর কারন এদিন কোনও নেতাই বলেননি৷ তবে এদিনের ছবি সাফ বুঝিয়েছে, দলের কেন্দ্রীয় পদাধিকারী হলেও মুকুল রায়কে এ রাজ্যের ‘অফিসিয়াল বিজেপি’ এখনও ততটা গুরুত্ব দিতে রাজি নন৷ ওদিকে দিলীপ ঘোষ গোষ্ঠীর নেতারা ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, “কেন্দ্রীয় নেতারাই এভাবে রাজ্যে দলের মধ্যে উপদল তৈরি করছেন৷”

Related articles

ভিশন পার্ট টু, মন্ত্রী দিন্দাকে বড় দায়িত্ব সিএবির

২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন, চলতি বছর ভোটে জিতে মন্ত্রী হয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হয়েও ক্রিকেট থেকে দূরে...

দুর্নীতি ঠেকাতে জোড়া বিল আনছে রাজ্য: উদ্দেশ্য নিয়ে তুঙ্গে তরজা

ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলায় বুলডোজার নীতি কার্যকর করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি সরকার। আদালতের আদেশে সেই নিয়মে...

আমরা বেইমান নই: “যাঁরা দিদির সঙ্গে থাকছেন” তাঁদের নিয়ে বিশেষ কর্মিসভার ডাক কুণালের

গত কয়েকদিনের মধ্যে বেলেঘাটার বিধায়ক তথা তৃণমূলের (TMC) উত্তর কলকাতা জেলার সভাপতি কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) একাধিকবার বলেছেন,...

অমানবিক! মোমো বিক্রেতার উপর ফুটন্ত জল বিজেপি পুলিশের

নির্মম প্রশাসন! সামান্য মানবিকতাও এখন বিজেপি পুলিশের (BJP Police) খাতায় অতীত। জয়পুরের (Jaipur) রামনগরিয়া থানা (Ramnagariya Police Station)...