‘ধর্মীয় শিক্ষা’ র অজুহাতে মাদ্রাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত বিজেপি সরকারের

সরকারের টাকায় কোনও ধর্মীয় শিক্ষা চলবে না। এই যুক্তিতে এবার রাজ্যের সব সরকার ও সরকার-পোষিত মাদ্রাসা বন্ধ করে দিতে চলেছে অসম সরকার। সূত্রের খবর আগামী মাসেই বিজ্ঞপ্তি জারি করবে রাজ্য সরকার।

গত ফেব্রুয়ারিতে রাজ্য শিক্ষামন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ঘোষণা করেছিলেন, মাদ্রাসা, সংস্কৃত টোল-সহ যাবতীয় ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেই সময় অসম সরকার ধর্মনিরপেক্ষতার যুক্তি দেখিয়েছিল। শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, দেশে সরকারের টাকায় ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। বেসরকারি মাদ্রাসা, সংস্কৃত টোল-সহ যাবতীয় ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারের কোনও আপত্তি নেই বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এবার সেই অবস্থান থেকে ঘুরে গিয়েছে বিজেপি সরকার।

সর্বভারতীয় সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অসমের শিক্ষামন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন,”সরকারি অর্থে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলবে না। নভেম্বর মাসেই এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। বেসরকারি মাদ্রাসার ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি নেই সরকারের।” কিন্তু সংস্কৃত টোলের বিষয়ে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “সরকারি সংস্কৃত টোলের ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হল সেগুলির স্বচ্ছতা। সেটি সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, বর্তমানে সেরাজ্যে ৬১৪ টি সরকারি মাদ্রাসা আছে। সরকারি সংস্কৃতের টোলের সংখ্যা ১০০। সেখানে ৫০০-র বেশি বেসরকারি টোল আছে। ৯০০টি বেসরকারি মাদ্রাসা আছে। বেসরকারি মাদ্রাসাগুলির অধিকাংশ চালায় জামিয়াত উলামা।