পুজো অনুদান নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনাকে কটাক্ষ করে কী বললেন কুণাল ?

‘বর্ণপরিচয়’-এর রূপকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশত জন্মবার্ষিকী উদযাপনে নানান কর্মসূচি পালন হচ্ছে রাজ্য জুড়ে ।সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করে কলকাতা পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে রবিবার এক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী সাধন পান্ডে,রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ, দেব সাহিত্য কুটিরের কর্ণধার রূপা মজুমদার, সমাজসেবী সুপ্তি পান্ডে প্রমুখ।
বিদ্যাসাগরের দ্বিশত জন্মবার্ষিকীর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে তার লেখা পুস্তক প্রদান এবং শারদীয়ার প্রাক্কালে মহিলা ও শিশুদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণের আয়োজন করেছিল কলকাতা 14 নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল যুব কংগ্রেস । মহামারির আবহের মধ্যেও উৎসবের মরসুমে সবার মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্যেই এই অনুষ্ঠান বলে জানালেন তৃণমূলের যুব নেতা মৃত্যুঞ্জয় পাল। মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে বলেন, রাজ্যের মহিলাদের স্বনির্ভর হওয়ার জন্য তার দফতরের বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগগুলিকে আরও বেশি করে কাজে লাগাক মহিলারা ।ছোট ছোট গোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে স্বনির্ভর হয়ে উঠুক তারা। প্রাক্তন সাংসদ তথা সাংবাদিক কুণাল ঘোষ বলেন, উৎসবে পুজো কমিটিকে সাহায্য করে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার । এই বিষয়ে বিরোধীদের সমালোচনা করা অর্থহীন । বরং তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দুর্গাপুজো একটু স্বস্তির বাতাস নিয়ে এসেছে । সরকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে যেভাবে মানুষকে মনোবল জোগাচ্ছে তাতে দোষ কোথায়? যারা সমালোচনা করছেন তারা এতদিন কোথায় ছিলেন?
দেব সাহিত্য কুটিরের তরফে রূপা মজুমদার বলেন, এই প্রকাশনা সংস্থা থেকে বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয় ‘ প্রকাশিত হয়েছিল ।এমন পথ প্রদর্শকের দ্বিশত জন্মবার্ষিকীতে শরিক হতে পেরে আমরা গর্বিত ।সমাজসেবী সুপ্তি পান্ডে বলেন, সমস্ত নির্দেশ ও নিয়মবিধি মেনেই সবাই উৎসবে সামিল হোক।
এদিন প্রায় শ’খানেক শিশুর হাতে বিদ্যাসাগরের লেখা বই ও নতুন বস্ত্র তুলে দেওয়া হয় । তৃণমূল যুব কংগ্রেসের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন সবাই ।