জল্পনা বাড়ালেন শমীক, বিশ্রাম সম্পূর্ণ হলেই সৌরভ ও লক্ষ্মী একসঙ্গে নেট প্র্যাকটিস করবেন!

একজন আজ বৃহস্পতিবারই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। অন্যজন রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের পর আজই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং লক্ষ্মীরতন শুক্লা, দুজনকে নিয়েই রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে । কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠেছে, দুজনেরই কি গন্তব্য বিজেপি। যদিও অসুস্থ হওয়ার আগে সৌরভ রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে, প্রথমে রাজ্যপাল ও পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ সেই সম্ভাবনাকে আরও উসকে দিয়েছে। অন্যদিকে , লক্ষ্মী এদিন বলেছেন, ‘আপাতত রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’ কিন্তু বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য  যা বললেন, তাতে দুজনের সঙ্গেই বিজেপি ‘যোগের’ জল্পনা আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেল।
বৃহস্পতিবার শমীক বলেন, ‘লক্ষ্মীরতন অলরাউন্ডার ছিল। সব করতে পারে। কিন্তু তৃণমূলের পিচ তাঁর জন্য নয়। এবার তিনি তৃণমূলের হয়ে নয়, বিরুদ্ধে বল করেন কিনা, সেটা ভবিষ্যৎই বলে দেবে।’ এরপরই শমীকের তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, ‘আমি শুনেছি, বিশ্রাম নেওয়া সম্পূর্ণ হয়ে গেলেই সৌরভ আর লক্ষ্মীরতন একসঙ্গে নেট প্র্যাকটিস করবেন।’ লক্ষ্মীর দলত্যাগ নিয়ে শমীকের ব্যাখ্যা, ‘ভালো মানুষদের জায়গা নেই তৃণমূলে। লক্ষ্মীরতন সরল মনের মানুষ। সে তৃণমূলে থাকতে পারবে না, এটাই স্বাভাবিক। চারিদিকে নানা জন বৈঠকে বসছে। সকলেই চায় বিজেপিতে আসতে।’
এরই পাশাপাশি, তাৎপর্যপূর্ণ ট্যুইট করেছেন লক্ষ্মীরতন। সেখানে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ছবিও। তিনি লিখেছেন, ‘প্রকৃত অধিনায়ক তিনিই, যিনি শুধু নিজে খেলেন না, দলকেও ভাল খেলার প্রেরণা দেন।’ এরপরই শুরু হয়েছিল জল্পনা। যদিও পরে সাংবাদিক বৈঠকে জল্পনা জিইয়ে রেখেছেন লক্ষ্মী। তিনি বলেন, ‘এখন আপাতত খেলার দিকে নজর থাকবে আমার। বাংলায় হিংসা-প্রতিহিংসা চাই না। প্লিজ হিংসা থেকে সবাই দূরে থাকুন। আপাতত রাজনীতি থেকে সরে গেলাম।’ একইসঙ্গে ২০২১-এ মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, সেই প্রশ্নে লক্ষ্মীর ধোঁয়াশা রাখা উত্তর, ‘ময়দানে ম্যাচ খেলতে নামলে যে ভাল খেলে সে-ই জেতে।’
বুধবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অরবিন্দ মেনন বলেন, ‘সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সারা দেশের গর্ব। উনি তো বাংলার বাঘ। তাই তিনি যদি বিজেপিতে আসেন, আমরা কার্পেট পেতে ফুল দিয়ে স্বাগত জানাব।’