কেরলের মুখ্যমন্ত্রী হতে চান ‘মেট্রোম্যান’ শ্রীধরণ, ২১ তারিখ যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে

বিজেপিতে যোগ দিতে চান ‘মেট্রোম্যান’ ই শ্রীধরণ৷ শুধু যোগ দেওয়াই নয়, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন শ্রীধরণ।

আসন্ন কেরল বিধানসভা নির্বাচনে ওই রাজ্যে বিজেপি (BJP) ক্ষমতায় এলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে চান, বলেছেন এই পদ্মবিভূষণ প্রাপক৷ কেরল বিজেপির সভাপতি কে সুরেন্দ্রণ ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, মেট্রোম্যান শ্রীধরণ (METROMAN E SREEDHARAN) গেরুয়া শিবিরে সামিল হচ্ছেন৷ রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক ভাবে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেবেন শ্রীধরণ।

আরও পড়ুন : ওপারের স্লোগানে উত্তাল এপার, কণাদ দাশগুপ্তর কলম

শ্রীধরণ জানিয়েছেন, দল চাইলে তিনি ভোট দাঁড়াতে
(KERALAASSEMBLY POLLS) চান৷ এবং মুখ্যমন্ত্রী হতেও তাঁর আপত্তি নেই৷ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যকে ঋণের বোঝা থেকে মুক্ত করা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করতে চান এই মেট্রোম্যান।

মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইলেও, রাজ্যপাল হতে তাঁর ঘোর আপত্তি রাজ্যপাল হতে৷ তিনি বলেছেন, “রাজ্যপাল হতে আমি চাইনা৷ কারণ রাজ্যপালরা তেমন কিছু অবদান রাখতে পারেন না৷ রাজ্যপাল এমন একটা সাংবিধানিক পদ যাঁর কোনও ক্ষমতা নেই৷” রাজ্যপাল পদ সম্পর্কে এমনই ধারনা শ্রীধরণের।

কেন হঠাৎ বিজেপিতেই যোগ দিতে চান, তার উত্তরে শ্রীধরণ বলেছেন, “একমাত্র বিজেপিই এই রাজ্যের জন্য কিছু করতে পারবে।” বাম-জোট LDF এবং কংগ্রেসের UDF জোটকে আক্রমণ করে তিনি বলেছেন, “দুই পক্ষই নিজেদের স্বার্থে কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা বড় বড় বিজ্ঞাপন দেন নিজেদের ছবি দিয়ে, যেন কত উন্নয়ন করছেন। কিন্তু বাস্তবে শূন্য।” মেট্রোম্যানের অভিমত, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজের সমালোচনা করা, কেন্দ্রের বিরোধিতা করা একটা ফ্যাশন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু রাজ্যের জন্য যদি কোনও দল করতে পারে, সেটা বিজেপিই।”

প্রসঙ্গত, টানা ১৭ বছর ধরে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের শীর্ষ পদে ছিলেন ভারতের অন্যতম সেরা এই ইঞ্জিনিয়ার৷ ১৯৯৫ থেকে ২০১২ পর্যন্ত DMRC-র এমডি ছিলেন। দিল্লির মেট্রো রেলের জনক বলা হয় তাঁকে। তখনই তাঁর নাম হয়ে যায় ‘মেট্রোম্যান’৷ প্রথমে পদ্মশ্রী এবং পরে পদ্মবিভূষণ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন তিনি৷ ভারতের পশ্চিম উপকূলের দুর্গম এলাকায় কোঙ্কন রেলওয়ের উন্নয়নেও অনেক অবদান রয়েছে এই ‘মেট্রোম্যান’- এর৷

Advt