Friday, June 5, 2026

ব্রিগেডে থাকতে পারেন আব্বাস, আশা করছে বামেরা

Date:

Share post:

কংগ্রেসের উপর চাপ বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারির ব্রিগেডে আব্বাস সিদ্দিকিকে (Abbas Siddiqui) আমন্ত্রণ জানাচ্ছে বামেরা৷

বৈদ্যবাটীতে বাম, কংগ্রেস এবং আব্বাসের দলের ত্রিপাক্ষিক বৈঠক শেষে শনিবার এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন সিপিএম (CPIM) নেতা মহম্মদ সেলিম (Md salim)। এই বৈঠকে কংগ্রেসের তরফে ছিলেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান এবং প্রদীপ ভট্টাচার্য, ছিলেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের
চেয়ারম্যান নৌশাদ সিদ্দিকি৷ এবং বামেদের তরফে ছিলেন মহম্মদ সেলিম। আইএসএফের (Indian Secular Front) চেয়ারম্যান নৌশাদ সিদ্দিকি বলেছেন, “দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি বাদ দিয়ে বাকি আসন নিয়ে বাম-কংগ্রেসের (Left Congress Alliance) সঙ্গে রফা সম্পূর্ণ৷ আশা করছি আমরা একটি দুর্নীতি মুক্ত বাংলা গড়তে পারব।” জোট নিয়ে এদিন ইতিবাচক সুরে মহম্মদ সেলিম বলেছেন, “বাম- কংগ্রেস জোটের সঙ্গে এই প্রথম ISF সমঝোতায় এল। ২৯৪টি আসনের জন্য জেলাভিত্তিক আলোচনা করেছি। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ আসন নিয়েই বোঝাপড়া হয়েছে। কয়েকটি বাকি রয়েছে৷ আগামীদিনে তিন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে জানিয়ে দেওয়া হবে।”
এদিকে জানা গিয়েছে, আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি মেটিয়াবুরুজ বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার কারবালা পিঙ্ক স্কোয়ারে যে জনসভা করবেন ‘মিম’ (AIMIM) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, সেখানে ডাক পাননি আব্বাস সিদ্দিকি৷ রাজ্যে এসে ফুরফুরা গিয়ে আব্বাসের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা করেছিলেন ওয়েইসি। বলেছিলেন, আব্বাসকে সামনে রেখেই ভোটে যাবে ‘মিম’৷ রাজনৈতিক মহলের ধারনা, ‘মিম’-এর সঙ্গে বৈঠকের পর আব্বাস যেভাবে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের আলোচনা শুরু করেছে, তা ভালোভাবে নেননি ওয়েইসি৷ আব্বাসের
এই ‘দ্বিচারী’ মনোভাবের কারনেই আব্বাসের সঙ্গে মিম দূরত্ব বাড়াচ্ছে৷

Related articles

কর্মিসভা ডাকুন, বুঝবেন কত ধানে কত চাল: দিল্লিতে দলীয় সাংসদদের বার্তা কুণালের

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের পরে যেভাবে বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক ছক প্রকাশ্যে, সেই একই খেলা দিল্লির সংসদেও খেলার চেষ্টা বিজেপির।...

টাকার বিনিময়ে হকারদের জায়গা দেওয়ার অভিযোগ! গাড়ি ফেলে বেপাত্তা কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ

ভিন রাজ্য থেকে গ্রেফতার কলকাতার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। তোলাবাজির অভিযোগে বেশ কয়েকদিন ধরে তাঁকে খুঁজছিল...

শনিতে মুখ্যমন্ত্রী-রেলমন্ত্রী বৈঠক, বাংলার আটকে থাকা রেল প্রকল্পগুলি নিয়ে উদ্যোগ কেন্দ্রের

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বাংলার প্রকল্পগুলির অনুমোদন দিচ্ছে না কেন্দ্রে- এই অভিযোগ সবসময়ই করতে বিগত তৃণমূল সরকার। সেই অভিযোগেই...

প্রকল্প অনুমোদনে গতি আনতে সিদ্ধান্ত, দফতরগুলির আর্থিক ক্ষমতা বাড়াল রাজ্য

উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়নের গতি আনতে প্রশাসনিক দফতরগুলির আর্থিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করল রাজ্য সরকার (State Goverment)। অর্থ...