ডোমজুড়ের গদ্দারটার জামানত বাজেয়াপ্ত করে দিন, ডোমজুড়ের জনসভায় বললেন মমতা

ডোমজুড়ের ( domjur) ওই গদ্দারটার জামানত বাজেয়াপ্ত করে দিন। তাহলে আমি আবার এসে আপনারা যা যা চাইবেন সব করে দেব। বৃহস্পতিবার ডোমজুড়ের জনসভায় (4th phase assembly election campaign)তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে Rajib Banerjee)এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। শুধু রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও এদিন এক হাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন চতুর্থ দফার ভোটের প্রচারের শেষ বেলায় কার্যত গর্জে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনে তাঁর নামে নালিশ হয়েছে। এবং কমিশন তাঁকে শো কজ করেছে। নালিশ যে তিনি ভালোভাবে নেননি তা এদিন স্পষ্ট হুংকারেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। আক্রমণাত্মক মেজাজে মমতা বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কমপ্লেন করে কোনও লাভ নেই। নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে কটা কমপ্লেন হয়েছে ?

মমতা এদিন মোদি-অমিত শাহকে ব্যঙ্গ করে বলেন, আমরা বলি হরে কৃষ্ণ হরি হরি, আসুন ভালো কাজ করি। আর ওরা বলে হরে কৃষ্ণ হরি হরি মানুষের পকেট থেকে চুরি করি। আমরা যা বলি সামনে বলি পিছনে বলি না। বিজেপি পেছনে বলে । একটা দৈত্য- দানবের দল । ভারতবর্ষের জঘন্য দল।  এখন বাংলায় ভোটের আগে রোজ আসছে । সকাল-বিকেল আসছে। একবার এ আসছে একবার ও আসছে। করোনার সময় কোথায় ছিল ? আম্ফানের সময় কোথায় ছিল ? উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গার সময় কোথায় ছিল? তখন কেন কোথাও যায়নি?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন আবারও মা বোনেদের এবং ভাইদের ওপর ভরসা রেখে বললেন, সবাই দলে দলে ভোট দিন। নিজের ভোট নিজে দিন। জোড়া ফুলে ছাপ দিন। তৃণমূলকে ভোট দিন। বিজেপিকে বাদ দিন।

Advt