‘বাই রোড এলে শুভেন্দুর লাশ যেত নন্দীগ্রামে’, বললেন চোপড়ার তৃণমূল প্রার্থী হামিদুল

“বাই রোড এলে শুভেন্দুর ডেডবডি নন্দীগ্রামে পাঠিয়ে দিতো চোপড়ার মানুষ”৷

বিতর্কিত এই মন্তব্য চোপড়ার বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী হামিদুল রহমানের৷

ইতিমধ্যেই রক্তস্নাত বঙ্গ-ভোটে এটাই বোধহয় বাকি ছিলো৷ এক দলের প্রার্থী নিজেই অন্য দলের প্রার্থীকে ‘লাশ’ বানানোর হুমকি দিচ্ছেন৷ রবিবার ঠিক তেমনই হলো
উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায়৷ বিজেপি নেতা শুভেন্দুর উদ্দেশ্যে এমন মন্তব্যই করেছেন তৃণমূল প্রার্থী হামিদুল রহমান৷

এদিন চোপড়ার দাসপাড়া ফুটবল গ্রাউন্ড ময়দানে বিজেপির এক নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন বিজেপি (BJP)নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) এবং কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁরা হেলিকপ্টারে মাঠে নেমেই সভামঞ্চের দিকে যখন যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই সভাস্থলের কাছে কালো পতাকা ও ঝাঁটা দেখিয়ে “শুভেন্দু গো ব্যাক ” স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখানো হয় চোপড়ার তৃণমূল প্রার্থী হামিদুল রহমানের (Hamidur Rahman) নেতৃত্বে৷ ওদিকে, বক্তৃতায় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “হামিদুল রহমানের অত্যাচার থেকে বাঁচতে একজোট হোন”। ভোটের পর হামিদুল ও তার গুন্ডাদের উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু।

এর পরই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে হামিদুল বলেন, “চোপড়ার মা বোনেরা ঝাঁটালাঠি নিয়ে আজ তাড়া করতো শুভেন্দুকে৷ কিন্তু শুভেন্দুর কপাল ভালো, সেন্ট্রাল ফোর্সের ঘেরাটোপে হেলিকপ্টারে মাঠে নেমে জনসভা করে আবার হেলিকপ্টারেই ফিরে গিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী বেইমান। উনি যদি হেলিকপ্টারে না এসে বাইরোড আসতেন চোপড়ার মানুষ তাঁর ডেডবডি পাঠাতেন নন্দীগ্রামে। চোপড়ার মহিলারা তৈরিই ছিলেন লাঠি ঝাঁটা নিয়ে”৷

বিজেপির জেলা সভাপত নেতা সুরজিৎ মন্ডল পাল্টা বলেছেন, “সবচেয়ে বড় মীরজাফর যে হামিদুল রহমান সেটা চোপড়ার মানুষ জানে। ও কতবার দলবদল করে আজ তৃণমূল করছে সবার জানা৷” তিনি বলেন, “আজ যারা কালো পতাকা দেখিয়ে দেখিয়েছে তারা কেউই চোপড়ার সাধারণ মানুষ নন৷ ওরা তৃণমূল নেতা হামিদুল রহমানের পোষা গুণ্ডা”।

Advt