রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হবেন কে, বাংলার রাজনৈতিক মহলের নজর এখন বিধানসভা চত্বরে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই তৃতীয়াংশ বিধায়করা কি সত্যিই অন্য তৃণমূল গড়তে চলেছেন, বুধবার বিধানসভা ভবনে প্রবেশের আগে বিধায়ক সন্দীপন সাহার (Sandipan Saha) কথায় তেমনই ইঙ্গিত। সূত্রের খবর কমপক্ষে ৬০ জন বিধায়ককে নিয়ে নতুন তৃণমূল গড়ার পথে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা (Ritabrata Banerjee)। ইতিমধ্যেই বিধানসভার নৌশাদ আলি কক্ষে শুরু হয়েছে মিটিং। ঋতব্রত- সন্দীপন ছাড়াও উপস্থিত রয়েছেন রথীন ঘোষ, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবিনা ইয়াসমিন, চন্দ্রনাথ সিনহা, মুস্তাফিজুর রহমান-সহ অন্তত ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক, খবর সূত্রের।

বিধানসভায় সই-জাল বিতর্কের মাঝেই বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Sovandeb Chattopadhyay) অবিলম্বে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি পাঠান তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। পাশাপাশি, ‘বিদ্রোহী’ শিবির দাবি করে, তারা ৫২ থেকে ৫৫ জন বিধায়কের তালিকা সংবলিত চিঠি স্পিকারের কাছে দিয়ে প্রকৃত বিরোধী দলের মর্যাদা দাবি করবে! আর সেই দাবিমতোই বুধবার সকালে হাজির হয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির। এই তালিকায় যেমন প্রবীণ তৃণমূল নেতারা রয়েছে তেমনই রয়েছে প্রথমবারের জয়ী বিধায়করাও। এদিন বিধানসভায় ঢোকার মুখে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এদিন সাবিনা বলেন, ‘আজকে আমরা বিরোধী দলনেতা সিলেক্ট করার জন্য মিটিং করব।’ কে ডেকেছে মিটিং? তাঁর জবাব, ‘‘আমরা সবাই।’’ সত্যিই কি তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে যাচ্ছে, উত্তর মিলবে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই।

–

–

–

–

–

–
–
