দেশজুড়ে ঘাটতি, ওদিকে গাফিলতিতে নষ্ট হলো ৪৪ লক্ষ করোনা ভ্যাকসিনের ডোজ

করোনা-গ্রাফ যতই উর্ধ্বমুখী হচ্ছে, ততই প্রকট হচ্ছে ভ্যাকসিনের ঘাটতি৷
আর এরই মাঝে এক RTI-এর ভিত্তিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে৷

তথ্য অধিকার আইনে এক প্রশ্নের জবাবে জানা গিয়েছে, গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্যের জন্য যে টিকা বরাদ্দ করা হয়েছিল, তার ২৩ শতাংশই নষ্ট হয়েছে। নষ্ট হয়েছে ৪৪ লক্ষেরও বেশি করোনা প্রতিরোধক টিকার ডোজ। জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বেশি টিকা নষ্ট করেছে দক্ষিণের তামিলনাড়ু।

তথ্যের অধিকার আইনে সংশ্লিষ্ট দফতরে জানতে চাওয়া হয়, দেশে এই সময় পর্যন্ত ঠিক কত সংখ্যক করোনা টিকা অপচয় হয়েছে, নষ্ট করা হয়েছে।
এই প্রশ্নের উত্তরেই জানানো হয়েছে, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্যের জন্য বরাদ্দ করা ১০ কোটিরও বেশি ডোজের মধ্যে ৪৪ লক্ষের বেশি ডোজ নষ্ট করা হয়েছে।
একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, তামিলনাড়ুতে সর্বাধিক ১২.১০ শতাংশ টিকার ডোজ নষ্ট করা হয়েছে। এর পরের স্থান হরিয়ানা’র। ওই রাজ্যে ৯.৭৪ শতাংশ টিকা নষ্ট হয়েছে। এরপর রয়েছে
যথাক্রমে পঞ্জাবে ৮.১২ শতাংশ নষ্ট হয়েছে, মণিপুরে ৭.৮ শতাংশ এবঁ তেলাঙ্গানায় নষ্ট হয়েছে ৭.৫৫ শতাংশ টিকার ডোজ।

এ বিষয়ে বাংলার রেকর্ড অনেকটাই ভালো৷ যে রাজ্যগুলিতে সবচেয়ে কম টিকার ডোজ নষ্ট হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, হিমাচলপ্রদেশ, মিজোরাম, গোয়া, দমন ও দিউ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং লাক্ষাদ্বীপ।
_______,

🔴 RTI-তথ্যে প্রাপ্ত করোনা ভ্যাকসিনের ডোজ বেশি নষ্ট হয়েছে –

◾তামিলনাড়ু – ১২.১০%

◾হরিয়ানা – ৯.৭৪ %

◾পাঞ্জাব – ৮.১২ %

◾মণিপুর – ৭.৮ %

◾তেলাঙ্গানা – ৭.৫৫%

🔴 RTI-তথ্যে প্রাপ্ত করোনা ভ্যাকসিনের ডোজ কম নষ্ট হয়েছে –

◾পশ্চিমবঙ্গ

◾কেরল

◾হিমাচলপ্রদেশ

◾মিজোরাম

◾গোয়া, দমন ও দিউ,

◾আন্দামান ও নিকোবর
দ্বীপপুঞ্জ

◾লাক্ষাদ্বীপ।

Advt