Saturday, February 7, 2026

#ResignModi-তে আপত্তি, মোদির পদত্যাগের দাবি জানানো সমস্ত পোস্ট মুছল ফেসবুক!

Date:

Share post:

দেশের ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন বিরোধীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও। প্রধানমন্ত্রী(Prime Minister) নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) পদত্যাগ চেয়ে #ResignModi ট্রেন্ড করতে শুরু করে টুইটার এবং ফেসবুকে। এমনই হ্যাশট্যাগ দেওয়া কয়েক হাজার পোস্ট এবার আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ফেসবুকের(Facebook) বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় সরকারের(central government) নির্দেশ মেনে ফেসবুক এমন পদক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। যদিও ভুলবশত ওই হ্যাশট্যাগ আটকে দেওয়া হয়েছিল বলে বার্তা দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, মোদির পদত্যাগ দাবি করে বুধবার সকাল থেকেই টুইটার ও ফেসবুকে রীতিমতো ট্রেন্ড করতে শুরু করেছিল #ResignModi। বৃহস্পতিবার সকালে টুইটারে ট্রেন্ডিংয়ে ছিল এই হ্যাশট্যাগ। কিন্তু বুধবার বেশ কিছুক্ষণের জন্য এই হ্যাশট্যাগ বন্ধ করে দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। #ResignModi দিয়ে কিছু লেখা পোস্ট করতে গেলেই সেটি ‘ব্লক’ করে দেওয়া হয়েছে বলে বার্তা ভেসে ওঠে। শুধু তাই নয়, ওই হ্যাশট্যাগ দেওয়া সমস্ত পোস্টও সরিয়ে নেওয়া হয়। বলা হয়, ওই হ্যাশট্যাগ ফেসবুকের নীতির পরিপন্থী। তার জেরে বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য ওই হ্যাশট্যাগ দেওয়া কোনও লেখা পড়া যাচ্ছিল না। তবে ভারতে পড়া না গেলেওআমেরিকা-ব্রিটেনের সহ অন্যান্য দেশগুলিতে কোনও সমস্যা হয়নি। এর পর ফেসবুকের বিরুদ্ধে সরব হন ভারতের নেটিজেনরা। অভিযোগ তোলা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে মানুষের বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। দাবি ওঠে ফেসবুক বয়কটের। বয়কটের দাবি ওঠার অবশ্য ঘন্টা তিনেক পরই ফের এই হ্যাশট্যাগের ব্লক খুলে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট

পাশাপাশি অনিচ্ছাকৃত এ ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন ফেসবুকের মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন। তিনি বলেন, “ভুলবশত সাময়িক ভাবে ওই হ্যাশট্যাগ আটকে দেওয়া হয়েছিল। তবে তা ভারত সরকারের তরফে নির্দেশ এসেছিল বলে নয়। সেটি আবার চালু করে দিয়েছি আমরা।”। তবে ফেসবুকের এই দাবি ধোপে টিকছে না। তার অন্যতম কারণ করোনা পরিস্থিতিতে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার মোদি সরকারের সমালোচনায় করা কোনও পোস্ট ফেসবুক থেকে ব্লক করে দেওয়ার ঘটনা ঘটলো। উল্লেখ্য, এর আগে কৃষক আন্দোলন এবং কোভিড সঙ্কট নিয়ে প্রকাশ্যে সরকারের সমালোচনা করায় মোছা হয়েছিল সাংসদ-বিধায়কদের টুইট। যা নিয়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, ঘৃণা ভাষণ ছড়ানো হোক বা বিদ্বেষমূলক পোস্ট বিজেপি নেতাদের প্রতি বরাবরই ‘সদয়’ ফেসবুক। তবে বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও রকম সমালোচনা করলে সেই সমালোচনা থামাতে উঠেপড়ে লাগে সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষ।

Advt

spot_img

Related articles

সরকারি মেডিক্যাল কলেজে র‍্যাগিং-এর অভিযোগ! সাসপেন্ড ২ পড়ুয়া

দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (Deben Mahato Medical College) র‍্যাগিং-এর অভিযোগ! অভিযোগ ওই কলেজের প্রথম বর্ষের...

ফের হামলার আশঙ্কা, অফিস খালি করল বাংলাদেশের ‘ডেলি স্টার’

ফের হামলার আশঙ্কায় নিজেদের সদর দফতর খালি করে দিল বাংলাদেশের(Bangladesh)দৈনিক সংবাদপত্র ডেলি স্টার(Daily Star)। শুক্রবার বিকেলে অফিস থেকে...

তাপমাত্রা নেমে রেকর্ড গড়ার পথে: ফেব্রুয়ারিতে জমজমাট উইকএন্ড

মাঘের শীতে স্বস্তি বঙ্গে। ফেব্রুয়ারিতে গত তিনদিনে তাপমাত্রা যেভাবে কমছে তাতে নতুন রেকর্ড তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন আবহাওয়াবিদরা।...

বিধানসভায় বিতর্কিত মন্তব্য! অগ্নিমিত্রার বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ নিয়ে উত্তপ্ত অধিবেশন

সংখ্যালঘুদের নিয়ে ন্যাক্কারজনক মন্তব্যের জেরে শনিবার বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ বিধানসভায় (Assembly)। শুক্রবার, সংখ্যালঘু উন্নয়ন...