Tuesday, March 24, 2026

#ResignModi-তে আপত্তি, মোদির পদত্যাগের দাবি জানানো সমস্ত পোস্ট মুছল ফেসবুক!

Date:

Share post:

দেশের ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রের অদূরদর্শিতাকে দায়ী করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন বিরোধীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও। প্রধানমন্ত্রী(Prime Minister) নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) পদত্যাগ চেয়ে #ResignModi ট্রেন্ড করতে শুরু করে টুইটার এবং ফেসবুকে। এমনই হ্যাশট্যাগ দেওয়া কয়েক হাজার পোস্ট এবার আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ফেসবুকের(Facebook) বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় সরকারের(central government) নির্দেশ মেনে ফেসবুক এমন পদক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। যদিও ভুলবশত ওই হ্যাশট্যাগ আটকে দেওয়া হয়েছিল বলে বার্তা দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, মোদির পদত্যাগ দাবি করে বুধবার সকাল থেকেই টুইটার ও ফেসবুকে রীতিমতো ট্রেন্ড করতে শুরু করেছিল #ResignModi। বৃহস্পতিবার সকালে টুইটারে ট্রেন্ডিংয়ে ছিল এই হ্যাশট্যাগ। কিন্তু বুধবার বেশ কিছুক্ষণের জন্য এই হ্যাশট্যাগ বন্ধ করে দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। #ResignModi দিয়ে কিছু লেখা পোস্ট করতে গেলেই সেটি ‘ব্লক’ করে দেওয়া হয়েছে বলে বার্তা ভেসে ওঠে। শুধু তাই নয়, ওই হ্যাশট্যাগ দেওয়া সমস্ত পোস্টও সরিয়ে নেওয়া হয়। বলা হয়, ওই হ্যাশট্যাগ ফেসবুকের নীতির পরিপন্থী। তার জেরে বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য ওই হ্যাশট্যাগ দেওয়া কোনও লেখা পড়া যাচ্ছিল না। তবে ভারতে পড়া না গেলেওআমেরিকা-ব্রিটেনের সহ অন্যান্য দেশগুলিতে কোনও সমস্যা হয়নি। এর পর ফেসবুকের বিরুদ্ধে সরব হন ভারতের নেটিজেনরা। অভিযোগ তোলা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে মানুষের বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। দাবি ওঠে ফেসবুক বয়কটের। বয়কটের দাবি ওঠার অবশ্য ঘন্টা তিনেক পরই ফের এই হ্যাশট্যাগের ব্লক খুলে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট

পাশাপাশি অনিচ্ছাকৃত এ ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন ফেসবুকের মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন। তিনি বলেন, “ভুলবশত সাময়িক ভাবে ওই হ্যাশট্যাগ আটকে দেওয়া হয়েছিল। তবে তা ভারত সরকারের তরফে নির্দেশ এসেছিল বলে নয়। সেটি আবার চালু করে দিয়েছি আমরা।”। তবে ফেসবুকের এই দাবি ধোপে টিকছে না। তার অন্যতম কারণ করোনা পরিস্থিতিতে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার মোদি সরকারের সমালোচনায় করা কোনও পোস্ট ফেসবুক থেকে ব্লক করে দেওয়ার ঘটনা ঘটলো। উল্লেখ্য, এর আগে কৃষক আন্দোলন এবং কোভিড সঙ্কট নিয়ে প্রকাশ্যে সরকারের সমালোচনা করায় মোছা হয়েছিল সাংসদ-বিধায়কদের টুইট। যা নিয়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, ঘৃণা ভাষণ ছড়ানো হোক বা বিদ্বেষমূলক পোস্ট বিজেপি নেতাদের প্রতি বরাবরই ‘সদয়’ ফেসবুক। তবে বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও রকম সমালোচনা করলে সেই সমালোচনা থামাতে উঠেপড়ে লাগে সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষ।

Advt

Related articles

প্রকাশিত হল প্রথম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট! কীভাবে দেখবেন? জানুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সোমবার রাত বারোটার ঠিক কয়েক মিনিট আগে প্রথম অতিরিক্ত ভোটার তালিকা (সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট) প্রকাশ...

হিংসা ও ভয়মুক্ত ভোট সুনিশ্চিত করতে কড়া নবান্ন, জেলাশাসকদের বিশেষ নির্দেশিকা মুখ্যসচিবের

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণভাবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়, তার জন্য এবার কোমর বেঁধে নামল...

ভোটের মুখে মহকুমাশাসক স্তরেও কোপ, রাজ্যে একযোগে ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে সরাল কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে প্রশাসনিক রদবদলে বেনজির সক্রিয়তা দেখাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং জেলাশাসকদের...

ভোট মিটলেই ফের তদন্তের মুখে শুভেন্দু, স্থগিতাদেশ দিলেও ছাড়ল না আদালত

স্বস্তি মিলল, তবে তা নেহাতই সাময়িক। খড়দহ থানার দায়ের করা বিতর্কিত মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি...