প্রায় ৪৮ ঘন্টা ধরে ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে প্রাণ হাতে নিয়ে ইরানের (Iran) রাজধানী তেহরানে (Tehran) থাকতে হয়েছে ভারতীয় পড়ুয়াদের। পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে আটকে পড়েছেন ভারতীয় পর্যটক থেকে আবাসিকরা। একদিকে ভারতীয় নাগরিকদের (Indians) নিরাপত্তা অন্যদিকে প্রবল অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়ে যুদ্ধ থামাতে কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করা শুরু করল ভারত।

তেহরানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়া থেকে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা সবার আগে চিন্তা করেছে ভারত সরকার। ভারতের তরফে তেহরানে আটকে পড়া নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, তেহরানের (Tehran) যে পড়ুয়ারা (Indian students) আটকে ছিল তাদের সবাইকে নিরাপদে অন্য শহরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যারা সরতে চায়নি তাদেরও নিরাপত্তার জন্য সবসময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

এর পাশাপাশি গোটা ইরানে যে ভারতীয়রা আটকে পড়েছেন তাঁদের জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে তেহরান দূতাবাস। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে কোনও পরিস্থিতিতে ভিতরে থাকার। যে কোনও বিক্ষোভ বা আন্দোলন এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে – 989128109115, 989128109102, 989128109109, 989932179359. এই নম্বরে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : একের পর এক মার্কিন ঘাঁটি আক্রান্ত: যুদ্ধের দায় ইজরায়েলের উপর চাপানো শুরু ট্রাম্পের

অন্যদিকে শুরু হয়েছে দৌত্য। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গোটা বিশ্ব তেল সংকটের মুখে পড়তে চলেছে। একদিকে আর্থিকভাবে প্রবল ক্ষতির সম্ভাবনা। অন্যদিকে, পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে আটকে পড়া নাগরিকদের নিরাপত্তা ভারতের প্রধান চিন্তা। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়ার আট দেশ – ইজরায়েল, ইউএই, সৌদি আরব, জর্ডন, বাহরিন, ওমান, কুয়েত, কাতারের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনার বার্তা দেওয়া হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পরে তুর্কির রাষ্ট্রপতি তাইইপ এরডোগানও পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দেন।

–

–

–

–

–


