হ্যাটট্রিক হচ্ছে মমতার, জুয়া-সাট্টা বাজারে তৃণমূলের পক্ষেই বাজি

আর কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা। রাত পোহালেই রবিবার সকাল থেকে বহু চর্চিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার (West Bengal Assembly Election) ফল ঘোষণা। গোটা দেশ এই নির্বাচনকে “মোদি” VS “দিদি” লড়াই হিসেবেই দেখছে। এই ফলাফল একদিকে যেমন রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাস বদলে দিতে পারে, একইভাবে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ রচিত হতে পারে।

তার আগে তাবড় টেলিভিশন চ্যানেল ও পেশাদার সংস্থাগুলির অধিকাংশ বুথ ফেরৎ সমীক্ষা (Exit Poll) তৃতীয়বারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (CM) হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হ্যাটট্রিকের (Hatrick) ইঙ্গিত দিয়েছে। কেউ কেউ আবার এগিয়ে রেখেছে নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) দলকে।

এক্সিট পোলের মতো শিল্পাঞ্চলে সাট্টার বাজারেও ভাও (দর) বেশি তৃণমূলের(TMC) দিকেই। মমতা হ্যাটট্রিকের উপরই বাজি ধরছে সিংহভাগ জুয়াড়ি। ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকে জুয়ার বাজারে বিজেপির অধিক কদর থাকলেও সময় যত এগিয়েছে গেরুয়া পক্ষের দর ততই নেমেছে। আর ফল ঘোষণার ৪৮ ঘন্টা আগে থেকে সাট্টার বাজার ঝুঁকতে শুরু করেছে ঘাসফুলের দিকেই।

আজ, শনিবার ফল ঘোষণার ২৪ ঘন্টা আগে তৃণমূলের পক্ষেই সাট্টা (Satta) বাজারের দর উঠছে চড়চড়িয়ে। গতকাল থেকে এখনও পর্যন্ত সাট্টার বাজারে বিজেপি (BJP) ১২৯-১৩১ ও তৃণমূল ১৩৬-১৩৯টি আসন পেতে পারে বলে বাজি ধরা হচ্ছে। ফেভারিট ধরা হয়েছে তৃণমূলকে। জুয়ার (Gambling) বাজারও আভাস দিচ্ছে খুব বেশি হলে ১৩১আসন পেতে পারে বিজেপি। তৃণমূল কমপক্ষে ১৩৬ আসন পাবে। জানা গিয়েছে, বেশিরভাগ জুয়াড়ি তৃণমূল ১৩৯ আসনের বেশি আসনে ধরে নিয়ে টাকা ঢালতে শুরু করেছে।

শুধু কোন দল ক্ষমতায় আসবে তার মধ্যে জুয়া-সাট্টা বাজার সীমাবদ্ধ নেই। কোন দল ক’টি আসন পাবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোরচর্চা। জুয়া-সাট্টা বাজারে নন্দীগ্রাম নিয়ে আলাদা বাজি চলছে। সেখানে লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর। এখানেও সিংহভাগ জুয়াড়ি মমতার পক্ষেই বাজি লাগিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, গণনার সময় যত এগিয়ে আসবে জুয়া-সাট্টা বাজার ততই ঢলে পড়বে বর্তমান শাসক দলের পক্ষে।

আরও পড়ুন:করোনা আতঙ্কে যাত্রী কমছে, বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করল রেল

Advt