নির্বাচনের ফল মিলিয়েও ভোটকুশলীর কাজ ছাড়তে চান, ঘোষণা পিকের

৪ মাস আগে ভোটের ফল নিয়ে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তৃণমূলের (Tmc) ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। রবিবার, ইভিএম (Evm) খোলার পর তা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল। এই নিয়ে যখন রাজ্যজুড়ে তুমুল চর্চা, তখন প্রশান্ত কিশোর জানিয়ে দিলেন, আর ভোটকুশলী হিসেবে কাজ করতে চান না তিনি। চার মাস আগে ভোটবাক্সের যে হিসেব কষে দিয়েছিলেন এদিন তা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গিয়েছে। সংখ্যাতেই আটকে রয়েছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতেই সহকর্মীদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়ে নিজের সংস্থা আইপ্যাক ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন পিকে। পিকে জানান, ‘‘দিদিকে সাহায্য করতে পেরে আমি খুশি। এর মধ্যেও জানাচ্ছি যে আমি আর এই কাজ করতে চাই না। অনেক হয়েছে। সহকর্মীদের হাতে আইপ্যাকের দায়িত্ব তুলে দিয়ে অন্য কিছু করতে চাই আমি”। কিন্তু কী করতে চান তিনি? সে কথা অবশ্য স্পষ্ট করেননি প্রশান্ত কিশোর।

আরও পড়ুন-কংগ্রেসকে স্থায়ীভাবে কফিনে ঢোকালেন প্রদেশ নেতারা, কণাদ দাশগুপ্তর কলম

গত ২০১৯-এর পর থেকে বাংলায় দাপট দেখানোর চেষ্টা করেছে পদ্ম শিবির। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর কৌশলই তৃণমূলকে সাফল্যের রাস্তা দেখিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এর আগে নিজে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন পিকে। নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) জেডিইউ-এর (Jdu) সহ সভাপতি পদে ছিলেন। কিন্তু বিহারে নীতীশ বিজেপি-র (Bjp) হাত ধরার পরেই দলের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করেন পিকে। এ বার কি বাংলার সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যেতে পারে তাঁকে? যদিও এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি তিনি।

তবে এই নির্বাচনে কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন প্রশান্ত। তাঁর মতে, কমিশন যদি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করত, তাহলে বিজেপি যত টুকু ভোট পেয়েছে, তার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারত না। এবার প্রশান্ত কিশোরকে কী ভূমিকায় দেখা যাবে সেটা জানতেই উৎসুক রাজনৈতিক মহল।

Advt