শীতলকুচি কাণ্ড: তদন্তে অসহযোগিতা জওয়ানদের, অসন্তুষ্ট CID প্রয়োজনে আদালতে যাবে

ভবানী ভবনে (Bhawani Bhagwan) দিনভর অপেক্ষা তদন্তকারী আধিকারিকদের (IO)। শীতলকুচি কাণ্ডে (Shitalkuchi Case) কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) সিআইএসএফের (CISF) আধিকারিক ও জওয়ানরা সিআইডি (CID) তলবে হাজিরা এড়িয়েছেন। শুধু হাজিরা এড়ানো নয়, কেন তদন্তের মুখোমুখি তাঁরা হলেন না, সেই বার্তাও দেওয়া হয়নি জওয়ান বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের তরফে। তদন্তে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই অসহযোগিতায় রীতিমতো অসন্তুষ্ট সিআইডি আধিকারিকরা। অথচ, শীতলকুচিতে বুথের সামনে গুলি চালানোর ঘটনায় সিআইএসএফ জওয়ান ও তাঁদের অফিসারদের বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই তদন্তে। হাজিরা দেওয়ার জন্য তাঁদের কাছে ফের নোটিশ যাচ্ছে বলে সিআইডি সূত্রে খবর। তারপরও হাজিরা এড়ালে আদালতের দ্বারস্থ হবে সিআইডি, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

এদিকে আজ, বুধবার মাথাভাঙার (Mathabhanga) এসডিওকে (SDO) নোটিশ পাঠিয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। নোটিশ পাঠানো হয়েছে কোচবিহারের (Coachbihar) তদানীন্তন পুলিশ সুপার (SP) দেবাশিস ধরকেও (Debasish Dhar) । গত ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোটে শীতলকুচির আমতলি মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের বুথে সিআইএসএফ জওয়ানদের ছোড়া গুলিতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ।

ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। রাজ্য সরকারের তরফে এই ঘটনার সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইসময় কোচবিহারের পুলিশ সুপার পদে ছিলেন দেবাশিস ধর। তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (CM) হিসেবে শপথ নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এরপর সাসপেন্ড করা হয় দেবাশিস ধরকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কে কান্ননকে। ইতিমধ্যেই এই মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা মাথাভাঙা থানার তদন্তকারী অফিসার মলয় বোসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিআইডি।

আরও পড়ুন:র‍্যাপিড টেস্ট শুরু টলিপাড়ার টেকনিশিয়ানদের

l

Advt