আফগানিস্তান থেকে ইউক্রেনের বিমান অপহরণের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, কয়েকজন সশস্ত্র অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই বিমানটি অপহরণ করেছে। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাস জানিয়েছে, কাবুল থেকে বিমানটিকে জোর করে ইরানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের সহকারি বিদেশমন্ত্রী ইয়েভজেনি ইয়েনিন এই অপহরণের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।

চলতি অশান্ত পরিস্থিতির কারণে আফগানিস্থানে আটকে রয়েছেন ইউক্রেনের বেশ কিছু নাগরিক। আটকে থাকা নাগরিকদের উদ্ধার করতে ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান এসেছিল কাবুলে। ইউক্রেনের বাসিন্দাদের নিয়ে সেই বিমান ফিরে যাওয়ার আগেই অপহৃত হয়েছে। জানা গিয়েছে, কয়েকজন সশস্ত্র অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই বিমানটি অপহরণ করেছে। সংবাদ সমস্ত তাস জানিয়েছে, আফগানিস্থানে আটকে থাকা ইউক্রেনের নাগরিকদের উদ্ধার করতে রবিবার রাতে ইউক্রেনের ওই বিমানটি কাবুলে নেমেছিল। ওই সময়ই বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে বিমানটিকে জোর করে ইরানের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অপহরণের পিছনে কে বা কারা রয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। ইয়েভজেনি আরও জানিয়েছেন, বিমানটি কার্যত চুরি করা হয়েছে। বিমানের ভিতরে যারা ছিলেন তাঁরা কেউই ইউক্রেনের নাগরিক নন। বিমানটি অপহৃত হওয়ায় কাবুলে আটকে পড়া ইউক্রেনের বাসিন্দাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। কারণ বিমানটি কাবুল বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গেই অপহৃত হয়। এই নিয়ে তিনবার ইউক্রেন নাগরিকদের উদ্ধারের চেষ্টা ব্যর্থ হল। এর আগে দু’বার অবশ্য উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয় অন্য কারণে। ইউক্রেনের সহকারি বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, এর আগে দু’বার তাঁদের বিমান কাবুল বিমানবন্দরে নামলেও ইউক্রেনের নাগরিকরা বিমানবন্দরের ভিতরে প্রবেশের সুযোগই পাননি। সে কারণেই দীর্ঘসময় অপেক্ষার পর বিমান ফিরে আসতে বাধ্য হয়।

আরও পড়ুন- সরকারি কর্মীদের বদলি সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান: আশ্বাস পার্থর
