নেহাত একটি আপাত-নিরীহ উপনির্বাচন (By Poll) নয়। তৃণমূলের (TMC) কাছে এই ভোট ষড়যন্ত্রের জবাব দেওয়ার, আত্মমর্যাদার লড়াই। তাই জয় নিশ্চিত হলেও চাই রেকর্ড মার্জিন। একুশের বিধানসভা ভোটে ভবানীপুরে (Bhawanipur) ২৮ হাজার ৫০৭ ভোটে জিতেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovondev Chatterjee) । কিন্তু ৭০ ও ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে তিনি সামান্য পিছিয়ে ছিলেন। তার আগে ২০১৯ লোকসভা ভোটে বিরাট মার্জিনে জিতলেও এই দুই ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী মালা রায় (Mala Roy) বড় ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। মূলত, এই দুই ওয়ার্ডে হিন্দিভাষী মানুষদের আধিক্য। তাঁদের একটি বড় অংশের ভোট যায় বিজেপির দিকে।
তবে এবার ভবানীপুর উপনির্বাচনে প্রার্থী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাই সেই মিথ ভাঙবে। ভবানীপুরের ঘরের মেয়ের প্রতি আবেগ রয়েছে হিন্দিভাষীদেরও। তৃণমূলের দাবি, হিন্দিভাষীরাও মজে মমতায়। তাঁরাও মনেপ্রাণে চাইছেন এলাকার বিধায়ক হোন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। শুধু ভবানীপুর নয়, রাজ্যের হিন্দিভাষীদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচুর কাজ করেছেন। তা কারও অজানা নয়।
এবার উপনির্বাচনের আগে ১৬ সেপ্টেম্বর হিন্দিভাষীদের সঙ্গে নিজেই সরাসরি কথা বলবেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁরাও নেত্রীকে সামনে পেতে আগ্রহী। ওইদিন ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে পদ্মপুকুর এলাকার উত্তম উদ্যানে (Uttam Udayan) হিন্দিভাষী ভোটারদের সঙ্গে বসবেন তিনি। বিকেল ৪টেয় হওয়ার কথা এই সভা। সরাসরি ভোটারদের অভাব-অভিযোগ শুনবেন তৃণমূল নেত্রী। তবে সভা ৭২নং ওয়ার্ডে হলেও ভবানীপুর বিধানসভার সবকটি ওয়ার্ড থেকেই সাংগঠনিক কর্মীদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
