Thursday, June 25, 2026

Tripura BJP MLA: তৃণমূল দেখলেই তাড়া করুন, ক্যাডারদের নির্দেশ ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়কের

Date:

Share post:

আইনের শাসন বলে কিছুই নেই। একেবারে তালিবানি রাজ চলছে ত্রিপুরায় (Tripura)। পুলিশ প্রশাসন আইন-আদালত তাঁর হাতের মুঠোয় বলে অগণতান্ত্রিক অসাংবিধানিক ফ্যাসিস্ট মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি (BJP) পরিচালিত ত্রিপুরা সরকারের মুখ্যমন্ত্রী (CM) বিপ্লব দেব (Biplab Dev)। এবার তাঁর উপস্থিতিতেই বেনজির মন্তব্য করলেন ত্রিপুরার দাপুটে।বিজেপি বিধায়ক (BJP MLA) সুরজিৎ দত্ত (Surajit Dutta)।

ত্রিপুরা পুরভোটের (Tripura Municipal Election) আগে প্রকাশ্য জনসভায় বিজেপি বিধায়কের নিদান, “তৃণমূল (TMC) প্রার্থী দেখলেই তাড়া করুন।” যা শুনে স্তম্ভিত গোটা রাজনৈতিক মহল। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে কীভাবে ভোটের আগে এমন মন্তব্য করতে পারেন? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। ত্রিপুরা সরকারকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কড়া হাতে দমন করার নির্দেশ দিয়েছে খোদ সুপ্রিম কোর্ট (Suprime Court)। বিপ্লব দেব প্রশাসনকে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ, সব দল যাতে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে পারে, সে দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। সব রাজনৈতিক দলকে নিরাপত্তা দিতে হবে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সামনেই তৃণমূলকে সুরজিৎ দত্তের এমন উস্কানিমূলক মন্তব্য ত্রিপুরায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি, আগরতলার (Agartala) বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মন (Sudip Roy Barman) পর্যন্ত ত্রিপুরায় রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গ তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে (DGP) চিঠি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, পুরভোটের আগে দলের এক কর্মীসভায় ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত বলেন, ”তৃণমূলকে কোনও ভাবেই জমি ছাড়া যাবে না। আমাদের এখানে রাজত্ব করতে হবে। ৩৫ বছর রাজত্ব করতে হবে। কাউকে কোনও ভাবে রেয়াত নয়। হাজার হাজার ভোট দিয়ে ভোটবাক্স ভরাতে হবে। আমি তোমাদের জন্য কাজ করি। তোমাদেরও আমাকে লিড দিতে হবে। কাউকে ছাড়বে না। তৃণমূল প্রার্থীকে যেখানে দেখবে সেখানেই তাড়া করবে।”

অন্যদিকে, শেষপর্যন্ত ত্রিপুরার খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়ায় হোটেলে ঢুকতে পারলেন দুই বিধায়ক। বিজেপির তরফে অভিজিৎ সিনহা ও খোকন দাস দাসকে হোটেলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তৃণমূলের। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ, ওই দুই বিধায়ককে হোটেল থেকে বের করে দিতে চাইছিলেন। হোটেল মালিককে হুমকি দিচ্ছিলেন। শেষপর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। সেই মামলার ফলেই শেষপর্যন্ত হোটেলে ঢুকতে পারলেন বিধায়করা। ফলে ফের কোর্টে হার বিজেপি তথা বিপ্লব দেব প্রশাসনের।

আরও পড়ুন- অর্ডিন্যান্স জারি করে সিবিআই ও ইডির শীর্ষ কর্তাদের মেয়াদ বাড়াল কেন্দ্র

Related articles

‘কোনো রেজিস্টার ছিল না’, ধ্বংসস্তূপে ঠিক কতজন আটকে স্পষ্ট নয় প্রশাসনের কাছেও

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে ঠিক কতজন শ্রমিক সেই সময়ে কাজ করছিলেন, সঠিক কোনও হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। ওই গুদামে...

মিলল না স্বস্তি! সুমিতকে আগাম জামিন দিল না হাই কোর্ট

তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banrjee) আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে (Sumit Ray) এখনই আগাম জামিন দিল...

আর জি কর মামলায় CBI-কে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের, কী দাবি পরিবারের

আর জি কর হাসপাতালের (RG Kar Case) তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুন মামলায় সিবিআই-এর ভূমিকা নিয়ে ফের অসন্তোষ...

ডুরান্ডের দিনক্ষণ ঘোষণা, কলকাতা লিগে একই গ্রুপে মোহন-ইস্ট

ঢাকে কাঠি পরে গেল নতুন মরশুমের। একইদিনে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup)এবং কলকাতা লিগের(CFL) গ্রুপ বিন্যাস হল। একইসঙ্গে সরকারিভাবে...