Friday, April 10, 2026

Tripura BJP MLA: তৃণমূল দেখলেই তাড়া করুন, ক্যাডারদের নির্দেশ ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়কের

Date:

Share post:

আইনের শাসন বলে কিছুই নেই। একেবারে তালিবানি রাজ চলছে ত্রিপুরায় (Tripura)। পুলিশ প্রশাসন আইন-আদালত তাঁর হাতের মুঠোয় বলে অগণতান্ত্রিক অসাংবিধানিক ফ্যাসিস্ট মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি (BJP) পরিচালিত ত্রিপুরা সরকারের মুখ্যমন্ত্রী (CM) বিপ্লব দেব (Biplab Dev)। এবার তাঁর উপস্থিতিতেই বেনজির মন্তব্য করলেন ত্রিপুরার দাপুটে।বিজেপি বিধায়ক (BJP MLA) সুরজিৎ দত্ত (Surajit Dutta)।

ত্রিপুরা পুরভোটের (Tripura Municipal Election) আগে প্রকাশ্য জনসভায় বিজেপি বিধায়কের নিদান, “তৃণমূল (TMC) প্রার্থী দেখলেই তাড়া করুন।” যা শুনে স্তম্ভিত গোটা রাজনৈতিক মহল। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে কীভাবে ভোটের আগে এমন মন্তব্য করতে পারেন? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। ত্রিপুরা সরকারকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কড়া হাতে দমন করার নির্দেশ দিয়েছে খোদ সুপ্রিম কোর্ট (Suprime Court)। বিপ্লব দেব প্রশাসনকে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ, সব দল যাতে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে পারে, সে দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। সব রাজনৈতিক দলকে নিরাপত্তা দিতে হবে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সামনেই তৃণমূলকে সুরজিৎ দত্তের এমন উস্কানিমূলক মন্তব্য ত্রিপুরায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি, আগরতলার (Agartala) বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মন (Sudip Roy Barman) পর্যন্ত ত্রিপুরায় রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গ তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে (DGP) চিঠি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, পুরভোটের আগে দলের এক কর্মীসভায় ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক সুরজিৎ দত্ত বলেন, ”তৃণমূলকে কোনও ভাবেই জমি ছাড়া যাবে না। আমাদের এখানে রাজত্ব করতে হবে। ৩৫ বছর রাজত্ব করতে হবে। কাউকে কোনও ভাবে রেয়াত নয়। হাজার হাজার ভোট দিয়ে ভোটবাক্স ভরাতে হবে। আমি তোমাদের জন্য কাজ করি। তোমাদেরও আমাকে লিড দিতে হবে। কাউকে ছাড়বে না। তৃণমূল প্রার্থীকে যেখানে দেখবে সেখানেই তাড়া করবে।”

অন্যদিকে, শেষপর্যন্ত ত্রিপুরার খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়ায় হোটেলে ঢুকতে পারলেন দুই বিধায়ক। বিজেপির তরফে অভিজিৎ সিনহা ও খোকন দাস দাসকে হোটেলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তৃণমূলের। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ, ওই দুই বিধায়ককে হোটেল থেকে বের করে দিতে চাইছিলেন। হোটেল মালিককে হুমকি দিচ্ছিলেন। শেষপর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। সেই মামলার ফলেই শেষপর্যন্ত হোটেলে ঢুকতে পারলেন বিধায়করা। ফলে ফের কোর্টে হার বিজেপি তথা বিপ্লব দেব প্রশাসনের।

আরও পড়ুন- অর্ডিন্যান্স জারি করে সিবিআই ও ইডির শীর্ষ কর্তাদের মেয়াদ বাড়াল কেন্দ্র

Related articles

সাউথ সিটির পর এবার ডায়মন্ড প্লাজা, কলকাতার আরও এক মল কিনল ব্ল্যাকস্টোন

দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি মলের পর এবার উত্তর শহরতলির ডায়মন্ড প্লাজা। কলকাতার আরও এক জনপ্রিয় মলের মালিকানা বদল...

ভোটের কাজে নিষেধাজ্ঞা! একযোগে ১০০ পুলিশ আধিকারিককে বদলি রাজ্যের

বিধানসভা নির্বাচনের মুখে বড়সড় রদবদল ঘটানো হলো রাজ্য পুলিশে। একযোগে ১০০ জন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করল নবান্ন। যার...

IPL: মালিকের শহরে রুদ্ধশ্বাস জয় পন্থদের, হতশ্রী বোলিংয়ে হার কেকেআরের

আইপিএলে (IPL) হারের ধারা অব্যাহত কেকেআরের(KKR)। ইডেনে নাইটদের বিরুদ্ধে ৩ উইকেটে জয় লখনউয়ের(LSG)। ইডেনে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে...

বড়সড় ছাঁটাই! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেল প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়ার শেষে বিধানসভা ভিত্তিক বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের...