Tripura: ত্রিপুরায় গণতন্ত্রের অন্ধকার অধ্যায় রচনা করল বিজেপি, অভিযোগ রাজীব-সুবলের

ত্রিপুরার বুকে রচিত হলো গণতন্ত্রের এক অন্ধকার অধ্যায়

ত্রিপুরার বুকে রচিত হলো গণতন্ত্রের এক অন্ধকার অধ্যায়। যা এই ভূ-ভারতে আগে কোথাও কেউ দেখেনি। যেখানে সুপ্রিম কোর্টকে বলে বলে বুড়ো আঙুল দেখাল রাজ্য প্রশাসন ও শাসক বিজেপি। গেরুয়া সন্ত্রাসের বাতাবরণে ভূলুণ্ঠিত গণতন্ত্র। ছাপ্পা-সন্ত্রাসের মেলবন্ধনে ভোটের নামে প্রহসন ও গণতন্ত্রের নগ্ন ছবি ফুটে উঠল প্রাচীন নগর আগরতলা সহ ত্রিপুরার মাটিতে।

এই প্রসঙ্গে ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটের অবজার্ভার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘শুরু থেকেই বলেছি গণতন্ত্র বলে কিছু নেই এখানে। ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। গণতন্ত্রে শ্রেষ্ঠ উৎসব বলা হত আজকের দিনকে। ফ্ল্যাগ, ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছিল আগেই। শাসক দল তাদের জনসমর্থন হারিয়েছে। ত্রিপুরায় শাসকদল ভীত সন্ত্রস্ত। তারা বুঝে গিয়েছে মানুষ যদি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাহলে তাহলে তারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। সেই কারণে সকাল থেকেই এক তরফা ভাবে আক্রমণ চালিয়েছে। অবাধে ছাপ্পা হয়েছে। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে গিয়ে ফেরৎ এসেছেন। এমনকি প্রার্থীকেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। ভোটের আগেও অবাধে অত্যাচার করেছে বিরোধীদের ওপর। আজ প্রায় একশোর ওপর অভিযোগ জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে, কিন্তু কমিশন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশও কোনওরকম ব্যবস্থা নেয়নি। আমাদের বহু প্রার্থী আক্রান্ত। এই ভোটটাই বিজেপির শেষের শুরু।’

এককথায়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিনভর দাপিয়ে বেড়াল বিজেপির বাইক বাহিনী। ছাপ্পা থেকে শুরু করে বিরোধী প্রার্থী ও তাঁর পরিবারের লোকেদের উপর হামলা। বিরোধী প্রার্থীকে পর্যন্ত ভোট দিয়ে বাধা দেওয়া হয়। আর সবকিছুই হল পুলিশের সামনে। নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করল খাঁকি উর্দিধারীরা।

আরও পড়ুন- Tripura: আগরতলার ৫১ আসনেই পুনর্নির্বাচন দাবি সিপিএমের

Previous articleDiego Maradona: এক বছর পার মারাদোনার প্রয়াণের, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মেসির