সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে আনবেন না ঋদ্ধিমান সাহা (Wriddhiman Saha)। শ্রীলঙ্কার( Srilanka) বিরুদ্ধে দল থেকে বাদ পড়ার পরই ঋদ্ধির সাক্ষাৎকার নিতে চান এক সাংবাদিক। কিন্তু তাঁকে কোনও উত্তরই দেননি বাংলার উইকেটরক্ষক। সেই রাগে ঋদ্ধিকে হুমকি দেন সেই সাংবাদিক। এই পুরো বাকচারিতার স্ক্রিনশট নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন ঋদ্ধি। ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে বিসিসিআই (BCCI)নড়েচড়ে বসেছে এবং ঋদ্ধিমানের কাছে সেই সাংবাদিকের নাম জানতে চেয়েছে। তবে সেই সাংবাদিকের পরিচয় সামনে আনবেন না বলেই জানিয়েছেন ঋদ্ধি। একজন প্রকৃত ভদ্রলোক হওয়ায় সেই নাম প্রকাশ করতে চাইছেন না তিনি। কারণ ঋদ্ধি চান না তার জন্য কারোর কেরিয়ার শেষ হয়ে যাক।

এই নিয়ে ঋদ্ধি বলেন,”আমার সঙ্গে বিসিসিআইয়ের তরফে এখনও এই বিষয়ে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। যদি ওরা আমায় নাম প্রকাশের জন্য বলে, আমি বলব যে আমার কোনও ইচ্ছা নেই কারোর কেরিয়ার নষ্ট করার। কোনও মানুষের সর্বনাশ করার। আর সেই কারণে আমি ঐ টুইটে তার নাম প্রকাশ করিনি। এমন শিক্ষা আমি আমার বাবা-মায়ের থেকে পাইনি।”

এরপর ঋদ্ধি আরও বলেন, “আমার টুইটের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা যে এই মিডিয়াতে এমন কেউ রয়েছে যারা এই ধরণের কাজ করে, খেলোয়াড়দের ইচ্ছাকে অসম্মান করে। এমনটা করা উচিত হয়নি, যা আমি আমার টুইটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। যে এমনটা করেছে সে খুব ভালো করে জানে। আমি এই টুইটগুলি পোস্ট করেছি কারণ আমি চাই না খেলোয়াড়রা এই ধরণের পরিস্থিতির সম্মুখীন হোক। আমি এই বার্তা দিতে চাই যে, যা হয়েছে তা ভুল এবং কেউ যেন এমনটা না করেন।

গত শনিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতীয় দল ঘোষণার পরে রাতেই হোয়াটসঅ্যাপের একটি স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ঋদ্ধিমান। সেখানে দেখা যায় ওই সাংবাদিক ঋদ্ধির সাক্ষাৎকার নিতে চাইছিলেন। ঋদ্ধি সাক্ষাৎকার না দেওয়ায় রেগে গিয়ে হুমকি দিতে থাকেন তিনি। ঋদ্ধিমান সেই কথোপকথন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার পরেই গোটা দেশ জুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।


আরও পড়ুন:Wriddhiman Saha: ঋদ্ধির পাশে বিসিসিআই, তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে এক বিশেষ সংস্থাকে: সূত্র

