Saturday, May 16, 2026

কেশপুরে ১টি খুনের মামলায় ১২১জনকে তলব সিবিআইয়ের, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলছে তৃণমূল

Date:

Share post:

গতবছরের সেপ্টেম্বর সুশীল ধাড়া নামে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনায় ১২১জন তৃণমূল নেতাকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI. সেই সময় বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনাকে ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলার সঙ্গে যুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে CBI.

ইতিমধ্যেই খড়্গপুরের ডিআরএম অফিসে CBI-এর অস্থায়ী দফতরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। যা নিযে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলের তরফে বিষয়টিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করা হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে CBI-কে ব্যবহার করে বিজেপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ উঠছে শাসক দলের পক্ষে। তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক ফোনে পুরো ঘটনা বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে।

আরও পড়ুন:বাংলায় আরও বিনিয়োগ, গর্ব করুন: অত্যাধুনিক বিশ্ববাংলা মেলা প্রাঙ্গণ উদ্বোধনে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

জানা গিয়েছে, যে ১২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও রয়েছেন ব্লক সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠী, প্রাক্তন সভাপতি সঞ্জয় পান, কেশপুরের ব্লক, অঞ্চল এবং বুথের বিভিন্ন তৃণমূল নেতারা।

কুণাল ঘোষের অভিযোগ, ”সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য বিজেপি CBI-কে ব্যবহার করছে। ওই ব্যক্তির মৃত্যুর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই।”

Related articles

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...

বিজেপির পুরস্কার: শমীক এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? রাজ্য সভানেত্রী হতে পারেন লকেট!

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল। তৃণমূলের থেকে শাসনভার বিজেপির হাতে। আর মুখ্যমন্ত্রী ও পাঁচজন মন্ত্রী এবং বিধায়কদের শপথগ্রহণ হওয়ার পরেই...