Bangaon : এবার দুর্নীতিদমন শাখার জালে বনগাঁ দমকলের ওসি

গ্রেফতার করা হল উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর (Bangaon)দমকল কেন্দ্রের (Fire Station)ওসিকে। তাঁর সম্পত্তির মোট পরিমান আয়ের সাথে মোটেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তাই এবার দমকলের ওসি দেবাশিস হালদারকে (Debasish Haldar)গ্রেফতার করা হল।

দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ, একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ- এবার কড়া হল রাজ্য পুলিশের দুর্নীতিদমন শাখা (State police anti corruption branch)। গ্রেফতার করা হল উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর (Bangaon)দমকল কেন্দ্রের (Fire Station)ওসিকে। তাঁর সম্পত্তির মোট পরিমান আয়ের সাথে মোটেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তাই এবার দমকলের ওসি দেবাশিস হালদারকে (Debasish Haldar)গ্রেফতার করা হল।

মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই বলেছেন দুর্নীতিকে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। বেআইনি কিছু দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অভিযোগ পেয়েই তদন্ত করে প্রতারণার অভিযোগে বনগাঁর দমকলের ওসিকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা। সূত্রের খবর এর আগেও একাধিক বার দেবাশিস হালদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। ফায়ার লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রলোভন দেখিয়ে এলাকাবাসীকে প্রভাবিত করতেন অভিযুক্ত ওসি দেবাশিস হালদার। তাঁর দিকে নজর ছিল রাজ্য পুলিশের দুর্নীতিদমন শাখার (State police anti corruption branch)। অগাধ সম্পত্তি অথচ তাঁর কর্মসূত্রে যা আয় তার সাথে কিছুতেই মিল খাচ্ছে না। এরপর বুধবারই দেবাশিসকে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতিদমন শাখার তরফ থেকে কলকাতায় নিজেদের দফতরে তলব করা হয়। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। তখনই দেবাশিসের বক্তব্যে অসঙ্গতি পান কর্মরত অফিসাররা। তাঁর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এরপরই বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য দেবাশিস হালদার এর আগে ডায়মন্ড হারবার দমকল কেন্দ্রের ওসি ছিলেন। সেই সময়ও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ৬ মাসের জন্য তিনি সাসপেন্ডও হয়েছিলেন। সাসপেনশনের মেয়াদ কাটিয়ে কয়েকদিন আগেই তিনি চাকরিতে যোগ দেন। ২০১৮তে তিনি বনগাঁতে বদলি হয়ে যান। তাঁর স্ত্রী এবং কন্যা ডায়মন্ড হারবারের কোয়ার্টারে ছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালান দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকরা। সেখান থেকে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার হয় আপাতত সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। ডায়মন্ড হারবারের সম্পত্তি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় আগেই রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকেরা মামলা দায়ের করেছিলেন বলেই জানা যায়। সেই মামলার সূত্র ধরেই ২বছর আগে থেকে তল্লাশি শুরু হয়, অবশেষে গ্রেফতার।

Previous articleসিপিএম রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীতে নতুন চার মুখ, গুরুত্ব উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলকে