বিজেপি শাসিত রাজ্যের তুলনায় বাংলায় গরমের ছুটির মেয়াদ কম, বলছে পরিসংখ্যান

রাজ্যে কালবৈশাখী শুরুর আগেই তাপপ্রবাহের সতর্কতা শুরু হয়েছিল গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। আর তাতেই বলি হয়েছে রাজ্যবাসী। স্কুল পড়ুয়াদের কথা ভেবে গরমের ছুটি এগিয়ে আনার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই গ্রীষ্মের ছুটির মেয়াদ নিয়ে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। তাদের দাবি, বঙ্গে শিকেয় উঠেছে পড়াশুনো। তাই করোনার পর স্কুল খুলতে না খুলতেই ফের ছুটি ঘোষণা সরকারের। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে উলটো কথা। কেন্দ্রের রিপোর্ট বলছে বিজেপি ও বাম শাসিত রাজ্যেই ছুটির মেয়াদ বাংলার তুলনায় অনেকটাই বেশি।


আরও পড়ুন:যোগীরাজ্যে গ্যাংস্টারের বাড়িতে তল্লাশির সময় মেয়ের মৃত্যু, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ


দিন কয়েক আগে তাপপ্রবাহে পুড়ছিল দক্ষিণবঙ্গবাসী। রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ছাড়িয়েছিল। দহন জ্বালার মধ্যে স্বস্তির খবর শোনাতে পারেনি আবহাওয়া দফতর। তাই পড়ুয়াদের কথা ভেবে গরমের ছুটি এগিয়ে আনার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেই মেয়াদ নিয়েও প্রথমে সরব হন বিরোধীরা। তারপর আজ, সোমবার এ নিয়ে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করা হয়।  মেয়াদ অতিরিক্ত কারণেই এই মামলা। তার আগে দেখে নেওয়া যাক অন্য রাজ্যের কোথায় কতদিন ছুটি-




পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  গরমের ছুটির মেয়াদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাজস্থান।তারপরেই রয়েছে বাম শাসিত কেরল।বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যেও ছুটির মেয়াদের দৌড়ে বাংলার তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। পশ্চিমবঙ্গে ছুটি সেই তুলনায় অনেকটাই কম। তাতেও আপত্তি কোথায়? করোনাকালে পড়ুয়াদের কথা ভেবেই স্কুল না খুলেও ‘পাড়ায় শিক্ষালয় প্রকল্প’ চালু করেছিল মমতা সরকার। অতিমারি খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আসতেই পড়ুয়াদের জন্য স্কুল চালু করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। এমনকী গরমের ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তীব্র তাপপ্রবাহে পড়ুয়ারা অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছিল। এক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীও মারা গিয়েছেন। চিকিৎসকেরাও তাপপ্রবাহে বাচ্চাদের বের না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাই উপায় না পেয়ে গরমের ছুটি তড়িঘড়ি এগিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়। যার জেরে টানা ৪৫ দিন ছুটি পাবে পড়ুয়ারা। আর এই মেয়াদ নিয়েই ফের সোচ্চার বিরোধীরা।  মামলাকারীদের দাবি, মেয়াদ কমিয়ে আনা হোক।

Previous articleমান -অভিমান ! সঞ্জয়ের সঙ্গে কাজ করতে রাজি নন করিনা