গ্রিনজেন মামলা: অংশীদারদের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয় প্রমাণিত, জানালেন আইনজীবী অয়ন

২০১৯ সাল থেকে গ্রিনজেনের আইনি লড়াই চলছিল তিনজনের সঙ্গে। যাঁরা ওই সংস্থার ডিরেক্টরও।

সরকারি অনুদানে চলা মেডিক্যাল বর্জ্য নিষ্কাশন সংস্থার চার অংশীদারের বিরুদ্ধে জোর করে কারখানা দখল এবং টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত। বৃহস্পতিবার, শিলিগুড়ির (Siliguri) জার্নালিস্টস ক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন সংস্থার দুই কর্ণধারের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী Ayan Chakraborty)। তিনি বলেন, গ্রিনজেন বায়ো প্রাইভেট লিমিটেড, একটি সরকারের আউটসোর্সড কোম্পানি। ওই সংস্থাটি গোটা উত্তরবঙ্গের (North Bengal) সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে মেডিক্যাল (Medical) বর্জ্য সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তা নিষ্কাশনের কাজ করে। ২০১৯ সাল থেকে গ্রিনজেনের আইনি লড়াই চলছিল তিনজনের সঙ্গে। যাঁরা ওই সংস্থার ডিরেক্টরও। অভিযোগ, তাঁরা নানা কৌশলে কোম্পানির কারখানা দখল করেছিলেন। সেই সুবাদে সরকারের থেকে পাওয়া নানা টাকা হিসেব বহিভূর্তভাবে খরচ করেন বলেও অভিযোগ।

সংস্থার তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্ণধাররা বিষয়টি পুলিশের নজরে আনেন। এরপরে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে যায়। উচ্চ আদালতের তরফে সিআইডি তচদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। রমাকান্ত বর্মণ ও অরুণোদয় দাস ভৌমিক নামে দুই অংশীদারকে গ্রেফতার করে সিআইডি। অপর দুজন বিনীতা বর্মণ ও ঋত্বিক বহেতির বিরুদ্ধেও তদন্তে যোগসাজশের প্রমাণ মেলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।


 

 

Previous articleগরু পাচার মামলায় অনুব্রতর দেহরক্ষীকে গ্রেফতার করল সিবিআই