Saturday, May 16, 2026

একুশের সমাবেশ বোঝালো কাঁথিতেও মুছে গিয়েছে শান্তিকুঞ্জর অধিকারীদের মিথ

Date:

Share post:

বছর কয়েক আগেও একুশে জুলাই তৃণমূলের শহিদ সমাবেশে অন্যতম বক্তা ছিলেন তিনি। এর আগে ২০১৯ সালে যখন একুশের সমাবেশ হয়েছিল, সেবার ধর্মতলার
সভা মঞ্চ থেকে মোদি-অমিত শাহ বিরোধী ঝাঁঝালো বক্তব্য রেখে ছিলেন। বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। এরপর গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। তৃণমূল ছেড়ে অমিত শাহের পায়ে হাত দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। বিজেপিও একুশের বিধানসভা ভোটের আগে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে তাঁকে দলে নিয়েছে। কিন্তু পারফরম্যান্স প্রত্যাশার ধার কাছ দিয়ে যায়নি। বরং, তাঁর হাতে বঙ্গ বিজেপি সুরক্ষিত নয়, সেটা টের টের পাচ্ছেন দিল্লির নেতারাও।

সেই শুভেন্দু অধিকারীর এলাকা থেকে এবার একুশের সমাবেশে হাজার হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ভিড় জমিয়ে ছিলেন। যা শুভেন্দু তৃণমূলে থাককালীনও হয়নি। কাঁথি অধিকারীদের “গড়” বলে একটা সময় পরিচিত ছিল। কিন্তু সেই মিথ এখন অতীত। যতদিন যাচ্ছে, ততটা পূর্ব মেদনীপুরের কাঁথির বুক থেকে মুছে যাচ্ছে শান্তিকুঞ্জর অধিকারী পরিবারের নাম-নিশানা। একুশে জুলাই সমাবেশ তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

শুধু কাঁথি পুরসভার ২১টি ওয়ার্ড থেকে কয়েক হাজার তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক ধর্মতলার শহিদ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাস এসেছে ধর্মতলায়। সবমিলিয়ে পুরসভা এলাকা থেকে ২৫টির বেশি বাস কলকাতায় এসেছিল। এছাড়াও ছোট গাড়ি, প্রাইভেট কার এবং লোকাল ট্রেনে চেপেও কাঁথি থেকে প্রচুর মানুষ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন।

কাঁথি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা কাঁথি সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন, ‘‘কাঁথি আর অধিকারীদের গড় নয়। কাঁথির আমজনতা দিদির সঙ্গেই। এবার শহিদ দিবসে যেভাবে শহরবাসী কলকাতার সমাবেশে যোগ দিয়েছেন, তা দেখে এটা স্পষ্ট যে, তাঁদের ওই উচ্ছ্বাস আর আবেগ স্বতঃস্ফূর্ত।’’

এদিকে তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তরুণ মাইতি বলেন, ‘‘তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা থেকেই ২৪২টি বাস গিয়েছে ধর্মতলায়। সভা শেষে সকলেনিরাপদে বাড়িও ফিরে এসেছেন। কোথাও কোনও অসুবিধা হয়নি।’’

 

 

 

Related articles

SIR-এ নাম বাদ পড়লে খারিজ হবে জাতি শংসাপত্র! জারি নির্দেশিকা

রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক আগের প্রশাসনের নিয়ম বদলের পথে বর্তমান রাজ্য সরকার। সেই পথে এবার...

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...