নির্বাচিত হয়েই ‘দমন নীতি’ বিক্রমসিঙ্ঘের, অবস্থানকারীদের ব্যারিকেড ভাঙল লঙ্কা-সেনা

শ্রীলঙ্কার বিপর্যয়ের জন্য সে দেশের জনতা দায়ী করে রনিলকেও। ক্রমশ জোরাল হচ্ছিল তাঁর পদত্যাগের দাবিও। অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীদের সরকারি ভবন ছেড়ে দেওয়ার আর্জি জানান রনিল

কঠোর সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রীলঙ্কার নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে (Ranil Wickremesinghe)। রাজধানী কলম্বোর গালে ফেস অঞ্চলে অবস্থানকারীদের ব্যারিকেড ভেঙে গুড়িয়ে দিল শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী(Srilankan Army)। উপড়ে ফেলা হলো আন্দোলনকারীদের তাঁবুও।

‌বেশকিছু দিন ধরেই শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা চলছিল। তারমধ্যেই বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে। আর তার কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কলম্বোয় আন্দোলনকারীদের ক্যাম্পে অভিযান চালাল শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী। বিক্রমসিঙ্ঘের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই সুর চড়াচ্ছিলেন আন্দোলনকারীরা। ৯ জুলাই গোতাবায়া রাজাপক্ষের প্রাসাদ দখল করে বিক্ষোভকারীরা। তারপরেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান রাজাপক্ষে এবং অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন রনিল। আর সেই রাজাপক্ষের অনুগত পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটেই জয়ী হন রনিল। যদিও বৃহস্পতিবার শপথ নেওয়ার পরে রনিল বলেছেন, ‘‘আমি রাজাপক্ষেদের বন্ধু নই, শ্রীলঙ্কার আমজনতার বন্ধু।’’

শ্রীলঙ্কার বিপর্যয়ের জন্য সে দেশের জনতা দায়ী করে রনিলকেও। ক্রমশ জোরাল হচ্ছিল তাঁর পদত্যাগের দাবিও। অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীদের সরকারি ভবন ছেড়ে দেওয়ার আর্জি জানান রনিল। এর অন্যথায় কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা যদি সরকার ফেলতে চান বা প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর অফিস দখল করতে চান, সেটা বেআইনি।” যদিও তাঁর কথায় কর্ণপাত করেনি বিক্ষোভকারীরা। এরপরেই কঠোর পদক্ষেপ নেন শ্রীলঙ্কার নতুন রাষ্ট্রপতি। দ্বীপ রাষ্ট্রের রাজধানী কলম্বোর গালে ফেস অঞ্চলে অবস্থানকারীদের ব্যারিকেড ভেঙে গুড়িয়ে দেয় সেনা।


Previous articleBCCI: ভারতীয় দলের জার্সি স্পনসরের কাছে ৮৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা পাওয়না বিসিসিআইয়ের : সূত্র