বিষ মদ খেয়ে ১১ জনের মৃত্যু, বিজেপির প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার হাওড়ায়

পুলিশ মিছিল আটকে দেওয়ায় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন।পুলিশ যদিও মিছিল এগোতে দেয়নি।ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধীদের কন্ঠরোধ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির। 

বিষ মদ খেয়ে ১১ জনের মৃত্যু, বিজেপির প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার হাওড়ায়।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে শুক্রবার বেলা তিনটেয় মালিপাঁচঘড়া থানার সামনে সভা করার কথা ছিল। তবে পুলিশের অনুমতি না পাওয়ার ফলে বাধ্য হয়ে সভা বাতিলের পরিকল্পনা নেয় বঙ্গ বিজেপি। অনুমতি না মেলায় পাল্টা হাওড়া জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল করে পুলিশ কমিশনারেটের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পদ্ম শিবির।সেই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরেই ধুন্ধুমার বেধে যায়। পুলিশ মিছিল আটকে দেওয়ায় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন।পুলিশ যদিও মিছিল এগোতে দেয়নি।ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধীদের কন্ঠরোধ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

গজানন বস্তিতে বেআইনি মদের কারবার চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন প্রতাপ কর্মকার নামে এক ব্যক্তি। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতাপকে জেরা করে মিলেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তা থেকে কী ভাবে মদে বিষক্রিয়া, তা-ও ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে পুলিশের কাছে।তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার দশক আগে, গজানন বস্তিতে বেআইনি মদের কারবারের শুরু হয়েছিল ধৃত প্রতাপের বাবার হাত ধরে। তার পর বাবার মৃত্যুর পর ব্যবসার ভার নেন প্রতাপ। মূলত নিম্নবিত্ত পরিবারের বাস গজানন বস্তিতে। প্রতাপের ক্রেতাও ছিলেন মূলত তাঁরাই। ব্যবসা নিজের হাতে পাওয়ার পরেই মুনাফা বৃদ্ধির পরিকল্পনা ছকে ফেলেন প্রতাপ।

প্রথমে ঘুমের ওষুধ মেশালেও, পরে আরও বেশি মুনাফার আশায় দেশি মদের সঙ্গে কাঠের আসবাবপত্র রঙ করার কাজে ব্যবহৃত স্পিরিট মেশানো শুরু করে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।পরিমানের হেরফের হলেই মৃত্যু অনিবার্য। আর সেই কারণেই এতগুলি প্রাণ চলে গেল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।বিষ মদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Previous articleনির্বাচিত হয়েই ‘দমন নীতি’ বিক্রমসিঙ্ঘের, অবস্থানকারীদের ব্যারিকেড ভাঙল লঙ্কা-সেনা